আবুল হোসেন বাবলুঃ
বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সকাল সাড়ে এগারোটায় প্রিপেইড মিটার অপসারণ করে পূর্বের ডিজিটাল পোস্টপেইড মিটার পুনঃস্থাপন এবং নতুন বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য আবেদনকারী গ্রাহকদের ডিজিটাল পোস্টপেইড মিটার সরবরাহ করার দাবিতে বিদ্যুৎ গ্রাহক ফোরাম রংপুর এর উদ্যোগে নেসকো ঘেরাও করে প্রধান প্রকৌশলী বরাবর গ্রাহকদের শত শত দরখাস্তসহ স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

সকাল ১১ টায় রংপুর শাপলা চত্তর এবং লালবাগ থেকে দুটি মিছিল নেসকো অফিসে পৌঁছে এবং অফিস ঘেরাও করে। ঘেরাও কর্মসূচি চলাকালে অনুষ্ঠিত সমাবেশে কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মোঃ দেলোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন উপদেষ্টা আনোয়ার হোসেন বাবলু, মির্জা বাবর বাবুল, সদস্যসচিব আহসানুল আরেফিন তিতু, মোঃ সোহেল, শাহিদুল ইসলাম সুমন, ভূক্তভোগী বিদ্যুৎ গ্রাহক নাজনীন বেগম, শাহানারা খাতুন, শফিকুল ইসলাম, রাজা মিয়া প্রমূখ।

ভুক্তভোগী শাহানারা খাতুন বলেন, আগে যে লাইট, ফ্যান, চুলা ছিলো এখনো তাই আছে, আমার বিদ্যুতের ব্যবহার বাড়েনি কিন্তু প্রিপেইড মিটার লাগানোর পর খরচ বেড়েছে তিনগুন। এই রাক্ষুসে মিটার আমি চাইনা। শফিকুল ইসলাম বলেন, আমি বাড়িতে ছিলাম না, আমার অনুপস্থিতিতে নেসকোর লোকজন গিয়ে আমার স্ত্রীকে বলেছে এখনই প্রিপেইড মিটার না লাগালে পরে বিশ হাজার টাকা ফাইন হবে, মামলা হবে। ভয়ে আমার স্ত্রী কিছু বলতে পারেনি। নেসকোর লোকজন মিটার লাগিয়ে চলে গেছে। এখন প্রতিমাসে আগের চেয়ে অনেক বেশি টাকা বিদ্যুতের পিছনে খরচ হচ্ছে।
বিদ্যুৎ গ্রাহক ফোরামের আহ্বায়ক অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন বলেন, নেসকো প্রতারণাপূর্বক জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে এ মিটার লাগিয়েছে। অবিলম্বে প্রিপেইড মিটার প্রকল্প বাতিল করতে হবে। আহসানুল আরেফিন তিতু বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণভাবে গ্রাহকদের অভিযোগের কথা কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানিয়ে গেলাম।নেসকো বিদ্যুৎ গ্রাহকদের অভিযোগ এবং দাবির প্রতি সম্মান জানিয়ে অবিলম্বে প্রিপেইড মিটার অপসারণ করে পূর্বের ডিজিটাল পোস্টপেইড মিটার পুনঃস্থাপন করবে এই প্রত্যাশা করছি। অন্যথা হলে আমাদেরকে কঠোর কর্মসূচির দিকে যেতে হবে।
























