০৭:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রমেক এ চিকিৎসকদের কর্মবিরতি ও সড়ক অবরোধ প্রত্যাহার

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:৪৯:১৮ পূর্বাহ্ন, রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
  • ৩০৩৩ বার পঠিত হয়েছে

আবুল হোসেন বাবলুঃ

রমেক এর চিকিৎসকদের কর্মবিরতি ও সড়ক অবরোধ করার ঘটনায় পুলিশের হস্তক্ষেপে একটি শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং কর্মবিরতিসহ সড়ক অবরোধ প্রত্যাহার হয়েছে।

আরপিএমপি’র মিডিয়া সেল থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শনিবার ১৩ জুন ভোরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (রমেক) এর সিসিইউতে নুরজাহান বেগম (৬২) নামের এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রোগীর স্বজন ও সিসিইউতে কর্তব্যরত চিকিৎসক ও ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও অপ্রীতিকর ঘটনায় ক্ষোভের সৃষ্টি হলে চিকিৎসক ও ইন্টার্ন চিকিৎসকরা সাময়িকভাবে হাসপাতালের স্বাস্থ্য সেবা বন্ধ করে দেয় এবং মরদেহ আটক করে রাখে।

অন্যদিকে নিহতের স্বজন ও স্থানীয় এলাকাবাসী হাসপাতালের প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান নিয়ে রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়ক অবরোধ করে যানবাহন চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে।

পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ এর সার্বিক নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে উপ-পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) মাহফুজুর রহমানের নিবিড় প্রচেষ্টায় সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হয়। পুলিশ প্রশাসন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, চিকিৎসক প্রতিনিধি এবং রোগীর স্বজনদের মধ্যে ধারাবাহিক সংলাপের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।

আলোচনার এক পর্যায়ে রোগীর স্বজনরা তাদের আচরণের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন এবং পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে বিরোধ নিষ্পত্তি করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। পরে মৃতের স্বজনরা সড়ক অবরোধ প্রত্যাহার এবং চিকিৎসকরাও কর্মবিরতি প্রত্যাহার করে স্বাভাবিক চিকিৎসাসেবা কার্যক্রমে ফিরে যান।

পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ বলেন, জনস্বার্থে স্বাস্থ্যসেবা ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা সকলের দায়িত্ব। এ ধরনের ঘটনায় আইন নিজের হাতে তুলে না নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে প্রতিকার চাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

সতর্কতাঃ এই ওয়েবসাইটে নিজস্ব সংবাদের পাশাপাশি বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যম থেকে সূত্র উল্লেখপূর্বক সংবাদ প্রকাশ করা হয়। প্রকাশিত কোনো সংবাদের বিষয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে অনুগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট মূল সংবাদমাধ্যমের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এ ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও, ভিডিও ও অন্যান্য কনটেন্ট কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি ছাড়া ব্যবহার, অনুলিপি, পুনঃপ্রকাশ বা প্রচার করা কপিরাইট আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

প্রায় ৫২ কোটি টাকার মাদক ধ্বংস করল বিজিবি সীমান্তে নজরদারি জোরদারে বাড়ছে ড্রোন ও সিসিটিভির ব্যবহার

রমেক এ চিকিৎসকদের কর্মবিরতি ও সড়ক অবরোধ প্রত্যাহার

Update Time : ০১:৪৯:১৮ পূর্বাহ্ন, রোববার, ১৪ জুন ২০২৬

আবুল হোসেন বাবলুঃ

রমেক এর চিকিৎসকদের কর্মবিরতি ও সড়ক অবরোধ করার ঘটনায় পুলিশের হস্তক্ষেপে একটি শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং কর্মবিরতিসহ সড়ক অবরোধ প্রত্যাহার হয়েছে।

আরপিএমপি’র মিডিয়া সেল থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শনিবার ১৩ জুন ভোরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (রমেক) এর সিসিইউতে নুরজাহান বেগম (৬২) নামের এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রোগীর স্বজন ও সিসিইউতে কর্তব্যরত চিকিৎসক ও ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও অপ্রীতিকর ঘটনায় ক্ষোভের সৃষ্টি হলে চিকিৎসক ও ইন্টার্ন চিকিৎসকরা সাময়িকভাবে হাসপাতালের স্বাস্থ্য সেবা বন্ধ করে দেয় এবং মরদেহ আটক করে রাখে।

অন্যদিকে নিহতের স্বজন ও স্থানীয় এলাকাবাসী হাসপাতালের প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান নিয়ে রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়ক অবরোধ করে যানবাহন চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে।

পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ এর সার্বিক নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে উপ-পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) মাহফুজুর রহমানের নিবিড় প্রচেষ্টায় সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হয়। পুলিশ প্রশাসন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, চিকিৎসক প্রতিনিধি এবং রোগীর স্বজনদের মধ্যে ধারাবাহিক সংলাপের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।

আলোচনার এক পর্যায়ে রোগীর স্বজনরা তাদের আচরণের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন এবং পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে বিরোধ নিষ্পত্তি করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। পরে মৃতের স্বজনরা সড়ক অবরোধ প্রত্যাহার এবং চিকিৎসকরাও কর্মবিরতি প্রত্যাহার করে স্বাভাবিক চিকিৎসাসেবা কার্যক্রমে ফিরে যান।

পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ বলেন, জনস্বার্থে স্বাস্থ্যসেবা ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা সকলের দায়িত্ব। এ ধরনের ঘটনায় আইন নিজের হাতে তুলে না নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে প্রতিকার চাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।