০৫:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রায় ৫২ কোটি টাকার মাদক ধ্বংস করল বিজিবি সীমান্তে নজরদারি জোরদারে বাড়ছে ড্রোন ও সিসিটিভির ব্যবহার

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৫:০৫:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
  • ৩০১৪ বার পঠিত হয়েছে

মোঃ শাহজাহান বাশার

কুমিল্লার কোটবাড়িতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ১০ ব্যাটালিয়নের সদর দপ্তর প্রাঙ্গণে প্রায় ৫২ কোটি টাকা মূল্যের বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য ধ্বংস করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরে আয়োজিত মাদক ধ্বংস কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন সরাইল রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম চৌধুরী।

বিজিবি সূত্র জানায়, সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকায় পরিচালিত পৃথক অভিযান ও চোরাচালানবিরোধী অভিযানে জব্দ হওয়া বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে এদিন ধ্বংস করা হয়। ধ্বংস করা মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫২ কোটি টাকা।

অনুষ্ঠানে বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলেন, পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে বাংলাদেশে মাদকের অনুপ্রবেশ রোধে সীমান্ত এলাকায় নজরদারি আরও জোরদার করা হচ্ছে। আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে সীমান্তে সিসিটিভি ক্যামেরা ও ড্রোনের ব্যবহার বৃদ্ধি করা হবে। একই সঙ্গে মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে গোয়েন্দা তৎপরতা, নিয়মিত টহল এবং সীমান্তে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিজিবি কর্মকর্তারা আরও বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে বাহিনী সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে। সীমান্ত দিয়ে মাদক চোরাচালান রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, দেশের যুবসমাজকে মাদকের ভয়াবহ ছোবল থেকে রক্ষা করতে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপের পাশাপাশি পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন এবং সচেতন নাগরিকদের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং জনসম্পৃক্ততা জোরদার করা গেলে এ অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আরও কার্যকর ফল পাওয়া সম্ভব।

সতর্কতাঃ এই ওয়েবসাইটে নিজস্ব সংবাদের পাশাপাশি বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যম থেকে সূত্র উল্লেখপূর্বক সংবাদ প্রকাশ করা হয়। প্রকাশিত কোনো সংবাদের বিষয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে অনুগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট মূল সংবাদমাধ্যমের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এ ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও, ভিডিও ও অন্যান্য কনটেন্ট কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি ছাড়া ব্যবহার, অনুলিপি, পুনঃপ্রকাশ বা প্রচার করা কপিরাইট আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

প্রায় ৫২ কোটি টাকার মাদক ধ্বংস করল বিজিবি সীমান্তে নজরদারি জোরদারে বাড়ছে ড্রোন ও সিসিটিভির ব্যবহার

প্রায় ৫২ কোটি টাকার মাদক ধ্বংস করল বিজিবি সীমান্তে নজরদারি জোরদারে বাড়ছে ড্রোন ও সিসিটিভির ব্যবহার

Update Time : ০৫:০৫:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

মোঃ শাহজাহান বাশার

কুমিল্লার কোটবাড়িতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ১০ ব্যাটালিয়নের সদর দপ্তর প্রাঙ্গণে প্রায় ৫২ কোটি টাকা মূল্যের বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য ধ্বংস করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরে আয়োজিত মাদক ধ্বংস কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন সরাইল রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম চৌধুরী।

বিজিবি সূত্র জানায়, সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকায় পরিচালিত পৃথক অভিযান ও চোরাচালানবিরোধী অভিযানে জব্দ হওয়া বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে এদিন ধ্বংস করা হয়। ধ্বংস করা মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫২ কোটি টাকা।

অনুষ্ঠানে বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলেন, পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে বাংলাদেশে মাদকের অনুপ্রবেশ রোধে সীমান্ত এলাকায় নজরদারি আরও জোরদার করা হচ্ছে। আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে সীমান্তে সিসিটিভি ক্যামেরা ও ড্রোনের ব্যবহার বৃদ্ধি করা হবে। একই সঙ্গে মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে গোয়েন্দা তৎপরতা, নিয়মিত টহল এবং সীমান্তে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিজিবি কর্মকর্তারা আরও বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে বাহিনী সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে। সীমান্ত দিয়ে মাদক চোরাচালান রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, দেশের যুবসমাজকে মাদকের ভয়াবহ ছোবল থেকে রক্ষা করতে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপের পাশাপাশি পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন এবং সচেতন নাগরিকদের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং জনসম্পৃক্ততা জোরদার করা গেলে এ অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আরও কার্যকর ফল পাওয়া সম্ভব।