১১:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গোপালগঞ্জ জেলা কারাগার এখন মাদকের আখড়া- ইয়াবা গাজা ও আঠা উদ্ধার।।

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৫:৩৬:১৯ অপরাহ্ন, রোববার, ১৭ আগস্ট ২০২৫
  • ৩০৫১ বার পঠিত হয়েছে

 

বিশ্বজিৎ চন্দ্র সরকার – জেলা প্রতিনিধি গোপালগঞ্জ।

মাদকের আখড়ায় পরিনত হচ্ছে গোপালগঞ্জ জেলা কারাগার, নিয়মিত উদ্ধার হচ্ছে ইয়াবা ও গাজাসহ আঠা । মাত্র কয়েক দিনের ব্যাবধানে গোপালগঞ্জ জেলা কারাগার থেকে দুইবার ইয়াবা উদ্ধার করেছে জেল কর্তৃপক্ষ।। বর্তমান ভারপ্রাপ্ত জেলার তানিয়া জামান ডেপুটি জেলার হিসাবে গোপালগঞ্জে যোগদানের পর থেকে একেরপর এক মাদক উদ্ধারের ঘটনার সতত্য স্বীকার করেছে সদ্য মুক্তি পাওয়া বেশ কয়েকজন কারাবন্ধি।

মুক্তি পাওয়া কারাবন্ধিরা জানান- উদ্ধার হওয়া মাদক গুলো বেশির ভাগ কারারক্ষীদের মাধ্যমে জেলের ভিতরে ঢুকছে এবং কারা কর্তৃপক্ষের নজর এড়িয়ে কারাগারের ভিতরে চলে মাদকের ব্যাবসা ও সেবন। মাঝে মাঝে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেল কর্তৃপক্ষ ওয়ার্ডে তল্লাশি চালিয়ে মাদক উদ্ধার করলেও এর সাথে জড়িত কারারক্ষী বা কারাবন্ধিদের চিহ্নিত করতে পারছেনা তারা।।

মাদক রাখা বা সেবনের দায়ে কারাবন্ধিদের ডান্ডাবেরী বা সাময়িক কোনো শাস্তি নিশ্চিত হলেও ধরা ছোঁয়ার বাইরে রয়ে যাচ্ছে কারাগারে মাদক প্রবেশের সাথে জড়িতরা ।। অন্যদিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকসহ আটক হওয়া কারাবন্ধিরাও বলছেনা ইয়াবা গাজা প্রবেশের সাথে জড়িতদের নাম। যার ফলে কারাগার এখন মাদকের আখড়ায় পরিনত হচ্ছে,, জেলা কারাগারের নিয়ম অনুযায়ী দুজন কারারক্ষী কোনো প্রকার চেক ছাড়াই কারাগারে সিভিল ও পোষাকে দিনে বা রাতে প্রবেশের অনুমতি রয়েছে, বর্তমানে গোপালগঞ্জ জেলা কারাগারেও রয়েছে এমন দুজন কারারক্ষী এছাড়া নিয়মিত ডিউটির জন্যও কারা কারারক্ষী ভিতরে যাওয়া করে থাকেন।।

রবিবার (১৭) আগষ্ট জেলা খানার ভিতরে পদ্মা ভবন এক ও দুই মাদক উদ্ধার অভিযান চালিয়ে ৩২ পিচ ইয়াবা ও আঠা উদ্ধার করেছে জেল কর্তৃপক্ষ এর আগে গত (৩) আগষ্ট এমন একটি অভিযান চালিয়ে ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।।

এ বিষয়ে জেলার তানিয়া জামানের সাথে মুঠোফোনে কথা বললে তিনি ইয়াবা গাজা ও আঠা উদ্ধারের সত্যত্যা স্বীকার করলেও মাদক উদ্ধারের পরে এক হাজতিকে আঘাত ও সেলের ভিতরে রাখার কারনে লিখিত ভাবে জবাব দিহিতার বিষয়ে কোনো কথা বলতে রাজি হননি তিনি।।

কারাগারের ভিতরে মাদক রাখা এবং সেবনের দায়ে শাস্তি নিশ্চিত করা হয় বলে জানান জেল সুপার শওকত হোসেন মিয়া তবে জেলারকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা হয়েছে কিনা এবিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বিষয়টি নিয়ে পরে কথা বলতে চান এছাড়া পদ্মা এক ও দুই থেকে মাদক উদ্ধারের বিষয়টা নিয়ে না জানার কারনে কোনো তথ্য দিতে পারেননি তিনি।। পরে জানাবেন বলে জানান

সতর্কতাঃ এই ওয়েবসাইটে নিজস্ব সংবাদের পাশাপাশি বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যম থেকে সূত্র উল্লেখপূর্বক সংবাদ প্রকাশ করা হয়। প্রকাশিত কোনো সংবাদের বিষয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে অনুগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট মূল সংবাদমাধ্যমের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এ ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও, ভিডিও ও অন্যান্য কনটেন্ট কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি ছাড়া ব্যবহার, অনুলিপি, পুনঃপ্রকাশ বা প্রচার করা কপিরাইট আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

প্রায় ৫২ কোটি টাকার মাদক ধ্বংস করল বিজিবি সীমান্তে নজরদারি জোরদারে বাড়ছে ড্রোন ও সিসিটিভির ব্যবহার

গোপালগঞ্জ জেলা কারাগার এখন মাদকের আখড়া- ইয়াবা গাজা ও আঠা উদ্ধার।।

Update Time : ০৫:৩৬:১৯ অপরাহ্ন, রোববার, ১৭ আগস্ট ২০২৫

 

বিশ্বজিৎ চন্দ্র সরকার – জেলা প্রতিনিধি গোপালগঞ্জ।

মাদকের আখড়ায় পরিনত হচ্ছে গোপালগঞ্জ জেলা কারাগার, নিয়মিত উদ্ধার হচ্ছে ইয়াবা ও গাজাসহ আঠা । মাত্র কয়েক দিনের ব্যাবধানে গোপালগঞ্জ জেলা কারাগার থেকে দুইবার ইয়াবা উদ্ধার করেছে জেল কর্তৃপক্ষ।। বর্তমান ভারপ্রাপ্ত জেলার তানিয়া জামান ডেপুটি জেলার হিসাবে গোপালগঞ্জে যোগদানের পর থেকে একেরপর এক মাদক উদ্ধারের ঘটনার সতত্য স্বীকার করেছে সদ্য মুক্তি পাওয়া বেশ কয়েকজন কারাবন্ধি।

মুক্তি পাওয়া কারাবন্ধিরা জানান- উদ্ধার হওয়া মাদক গুলো বেশির ভাগ কারারক্ষীদের মাধ্যমে জেলের ভিতরে ঢুকছে এবং কারা কর্তৃপক্ষের নজর এড়িয়ে কারাগারের ভিতরে চলে মাদকের ব্যাবসা ও সেবন। মাঝে মাঝে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেল কর্তৃপক্ষ ওয়ার্ডে তল্লাশি চালিয়ে মাদক উদ্ধার করলেও এর সাথে জড়িত কারারক্ষী বা কারাবন্ধিদের চিহ্নিত করতে পারছেনা তারা।।

মাদক রাখা বা সেবনের দায়ে কারাবন্ধিদের ডান্ডাবেরী বা সাময়িক কোনো শাস্তি নিশ্চিত হলেও ধরা ছোঁয়ার বাইরে রয়ে যাচ্ছে কারাগারে মাদক প্রবেশের সাথে জড়িতরা ।। অন্যদিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকসহ আটক হওয়া কারাবন্ধিরাও বলছেনা ইয়াবা গাজা প্রবেশের সাথে জড়িতদের নাম। যার ফলে কারাগার এখন মাদকের আখড়ায় পরিনত হচ্ছে,, জেলা কারাগারের নিয়ম অনুযায়ী দুজন কারারক্ষী কোনো প্রকার চেক ছাড়াই কারাগারে সিভিল ও পোষাকে দিনে বা রাতে প্রবেশের অনুমতি রয়েছে, বর্তমানে গোপালগঞ্জ জেলা কারাগারেও রয়েছে এমন দুজন কারারক্ষী এছাড়া নিয়মিত ডিউটির জন্যও কারা কারারক্ষী ভিতরে যাওয়া করে থাকেন।।

রবিবার (১৭) আগষ্ট জেলা খানার ভিতরে পদ্মা ভবন এক ও দুই মাদক উদ্ধার অভিযান চালিয়ে ৩২ পিচ ইয়াবা ও আঠা উদ্ধার করেছে জেল কর্তৃপক্ষ এর আগে গত (৩) আগষ্ট এমন একটি অভিযান চালিয়ে ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।।

এ বিষয়ে জেলার তানিয়া জামানের সাথে মুঠোফোনে কথা বললে তিনি ইয়াবা গাজা ও আঠা উদ্ধারের সত্যত্যা স্বীকার করলেও মাদক উদ্ধারের পরে এক হাজতিকে আঘাত ও সেলের ভিতরে রাখার কারনে লিখিত ভাবে জবাব দিহিতার বিষয়ে কোনো কথা বলতে রাজি হননি তিনি।।

কারাগারের ভিতরে মাদক রাখা এবং সেবনের দায়ে শাস্তি নিশ্চিত করা হয় বলে জানান জেল সুপার শওকত হোসেন মিয়া তবে জেলারকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা হয়েছে কিনা এবিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বিষয়টি নিয়ে পরে কথা বলতে চান এছাড়া পদ্মা এক ও দুই থেকে মাদক উদ্ধারের বিষয়টা নিয়ে না জানার কারনে কোনো তথ্য দিতে পারেননি তিনি।। পরে জানাবেন বলে জানান