১২:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চা কারখানার পরিচালক পক্ষের দ্বন্দে মামলার শিকার উদ্যোক্তা, প্রতিবাদে ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:৫৪:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৩০৫২ বার পঠিত হয়েছে

সাইয়্যেদ শান্ত-পঞ্চগড় প্রতিনিধি:
পঞ্চগড়ে উত্তরা গ্রীণ টি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের পরিচালক পক্ষের দ্বন্দ্বে মামলা দিয়ে হয়রানির শিকার পাঁচ তরুণ উদ্যোক্তা। এরই প্রতিবাদে বুধবার দুপুরে ভূক্তভোগী পরিবারের আয়োজনে চা কারখানা চত্বরে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে পাঠ করেন তরুণ উদ্যোক্তা আরিফ হোসেন।
এসময় তিনি বলেন, উত্তরা গ্রীণ টি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড নামের চা কারখানাটি দীর্ঘদিন যাবৎ পরিচালকদের মধ্যে দ্বন্দ্বে বন্ধ ছিল। এক পক্ষে ছিল সাবেক শিক্ষা অফিসার বোরহান উদ্দিনের স্ত্রী আইরিন পারভীন তার সন্তান ও ভায়রা ভাই। অপর পক্ষে আব্দুর রাজ্জাক, তারিকুল ইসলাম। ৫ই আগস্ট জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে ফ্যাসিবাদী হাসিনা পালানোর পর ড. মুহাম্মদ ইউনুস সরকার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় বসার শুরুতেই তরুণ উদ্যোক্তা নিয়ে কথা বলেছিলেন। তিনি উদ্যোক্তা হওয়ার মোটিভেশনাল বক্তব্যে আকৃষ্ট হয়েই, উত্তরা গ্রীণ টি কারখানাটির এমডি এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ পরিচালকদের মতামতের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আদালতের কাছে অনুমতি নিয়ে চুক্তিপত্র করে আমরা পাচঁ জন তরুণ উদ্যোক্তা চা কারখানায় উৎপাদন কার্যক্রম শুরু করি।
তিনি আরো বলেন, বর্তমানে কারখানায় শতাধিক মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে। ভাড়া নেওয়ার কয়েক মাস পরে আব্দুর রাজ্জাক বাদী হয়ে চা কারখানার চেয়ারম্যান আইরিন পারভীন, পরিচালক শাহ আলম মিঠু, সাবেক শিক্ষা অফিসার বোরহান উদ্দিনের সাথে আমার ছোট ভাই রাকিব হোসেনকে বিবাদী করে আদালতে মামলা দায়ের করে হয়রানি করছে।
পরিচালক পক্ষের দ্বন্দ্বে চা কারখানাটি বন্ধ হয়ে
গেলে প্রায় শতাধিক পরিবার কর্মসংস্থান হারাবে। তাই কারখানাটি সচল রাখাটাও আমাদের দায়িত্ব।কারখানাতে চা বিক্রির মাধ্যমে জড়িয়ে আছে সরকারের রাজস্ব আয়। এছাড়াও চা চাষীরা সরাসরি কারখানায় কাঁচা পাতা বিক্রি করতে পারছে।
আমি মনে করি আমার ছোট ভাই রাকিব সহ আমরা এই কারখানার সাথে জড়িত আছি। আমাদেরকে অহেতুক মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে মামলা থেকে মুক্তির দাবি জানাচ্ছি।
এসময় নতুন উদ্যোক্তা রাকিব হোসেন, চা কারখানার মকলেছার রহমান, মন্তাজ আলী, কারখানার শ্রমিক ও চা চাষীরা উপস্থিত ছিলেন।

সতর্কতাঃ এই ওয়েবসাইটে নিজস্ব সংবাদের পাশাপাশি বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যম থেকে সূত্র উল্লেখপূর্বক সংবাদ প্রকাশ করা হয়। প্রকাশিত কোনো সংবাদের বিষয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে অনুগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট মূল সংবাদমাধ্যমের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এ ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও, ভিডিও ও অন্যান্য কনটেন্ট কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি ছাড়া ব্যবহার, অনুলিপি, পুনঃপ্রকাশ বা প্রচার করা কপিরাইট আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

প্রায় ৫২ কোটি টাকার মাদক ধ্বংস করল বিজিবি সীমান্তে নজরদারি জোরদারে বাড়ছে ড্রোন ও সিসিটিভির ব্যবহার

চা কারখানার পরিচালক পক্ষের দ্বন্দে মামলার শিকার উদ্যোক্তা, প্রতিবাদে ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন

Update Time : ০৯:৫৪:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

সাইয়্যেদ শান্ত-পঞ্চগড় প্রতিনিধি:
পঞ্চগড়ে উত্তরা গ্রীণ টি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের পরিচালক পক্ষের দ্বন্দ্বে মামলা দিয়ে হয়রানির শিকার পাঁচ তরুণ উদ্যোক্তা। এরই প্রতিবাদে বুধবার দুপুরে ভূক্তভোগী পরিবারের আয়োজনে চা কারখানা চত্বরে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে পাঠ করেন তরুণ উদ্যোক্তা আরিফ হোসেন।
এসময় তিনি বলেন, উত্তরা গ্রীণ টি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড নামের চা কারখানাটি দীর্ঘদিন যাবৎ পরিচালকদের মধ্যে দ্বন্দ্বে বন্ধ ছিল। এক পক্ষে ছিল সাবেক শিক্ষা অফিসার বোরহান উদ্দিনের স্ত্রী আইরিন পারভীন তার সন্তান ও ভায়রা ভাই। অপর পক্ষে আব্দুর রাজ্জাক, তারিকুল ইসলাম। ৫ই আগস্ট জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে ফ্যাসিবাদী হাসিনা পালানোর পর ড. মুহাম্মদ ইউনুস সরকার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় বসার শুরুতেই তরুণ উদ্যোক্তা নিয়ে কথা বলেছিলেন। তিনি উদ্যোক্তা হওয়ার মোটিভেশনাল বক্তব্যে আকৃষ্ট হয়েই, উত্তরা গ্রীণ টি কারখানাটির এমডি এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ পরিচালকদের মতামতের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আদালতের কাছে অনুমতি নিয়ে চুক্তিপত্র করে আমরা পাচঁ জন তরুণ উদ্যোক্তা চা কারখানায় উৎপাদন কার্যক্রম শুরু করি।
তিনি আরো বলেন, বর্তমানে কারখানায় শতাধিক মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে। ভাড়া নেওয়ার কয়েক মাস পরে আব্দুর রাজ্জাক বাদী হয়ে চা কারখানার চেয়ারম্যান আইরিন পারভীন, পরিচালক শাহ আলম মিঠু, সাবেক শিক্ষা অফিসার বোরহান উদ্দিনের সাথে আমার ছোট ভাই রাকিব হোসেনকে বিবাদী করে আদালতে মামলা দায়ের করে হয়রানি করছে।
পরিচালক পক্ষের দ্বন্দ্বে চা কারখানাটি বন্ধ হয়ে
গেলে প্রায় শতাধিক পরিবার কর্মসংস্থান হারাবে। তাই কারখানাটি সচল রাখাটাও আমাদের দায়িত্ব।কারখানাতে চা বিক্রির মাধ্যমে জড়িয়ে আছে সরকারের রাজস্ব আয়। এছাড়াও চা চাষীরা সরাসরি কারখানায় কাঁচা পাতা বিক্রি করতে পারছে।
আমি মনে করি আমার ছোট ভাই রাকিব সহ আমরা এই কারখানার সাথে জড়িত আছি। আমাদেরকে অহেতুক মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে মামলা থেকে মুক্তির দাবি জানাচ্ছি।
এসময় নতুন উদ্যোক্তা রাকিব হোসেন, চা কারখানার মকলেছার রহমান, মন্তাজ আলী, কারখানার শ্রমিক ও চা চাষীরা উপস্থিত ছিলেন।