
মোঃআবুসাঈদ ইসলাম নাগেশ্বরী কুড়িগ্রাম
বর্তমান সময়ের দ্রব্যমূলের উদ্রগতি এই ক্রান্তি লগ্নে, ৪৭ পয়সা মিনিটে কথা বলার সুযোগ দিচ্ছে রাষ্ট্রীয় অপারেটর টেলিটক, যেখানে অন্যান্য অন্যান্য মোবাইল কোম্পানিগুলো গলা কাটার রেট নিচ্ছে, সেখানে ৪৭ পয়সায় কথা বলা যাচ্ছে টেলিটকে , শ্রী গোপাল বর্মন নামের এক গ্রাহক জানান ২০০৪ সাল থেকে সিম ব্যবহার করে আসছি, আগে কোথাও ভালোমতো নেটওয়ার্কই পাইনি কথা বলার জন্য, সর্বশেষ ২৪ সালের ২ জুন থেকে নানান সুবিধা নিয়ে হাজির হয়েছে নতুন ব্যবস্থাপক মাধ্যমে শীঘ্রক জানাই এভাবে উন্নয়ন চলতেই থাকো , মাইদুল ইসলাম নামে এক গ্রাহক জানায় আজ থেকে ছয় মাস আগে ভালো মতন কথা বলা যেত না, বিদ্যুৎ যাওয়ার সাথে সাথে নেটওয়ার্ক চলে যেত গত ১৫/০৮/২০২৫ তারিখের পর থেকে বিদ্যুৎ বিদ্যুৎ চলে গেলেও ৫-৬ ঘন্টা পর্যন্ত নেটওয়ার্ক থাকছে, পরে আশপাশে সকলের কাছে জানতে পারলাম, নতুন ব্যাটারি লাগা হয়েছে, এজন্য ধন্যবাদ জানাই টেলিটক কর্তৃপক্ষকে। টেলিকম বিডি নামে ফেসবুক পোস্টে মাহমুদ হোসাইন নামে একজন পোস্ট করেছে আজ আবার কি হলো, সারাদিন বিদ্যুৎ নেই কিন্তু টেলিটকের নেটওয়ার্ক আছে ফোরজি +, নাকি তারা স্টাইলিং এর সাথে কানেক্ট করল, সেই পোষ্টের কমেন্টে অনেক গ্রাহক লিখেছে আল আলামিন নামের এক গ্রাহক লিখেছে ভালো নেটওয়ার্ক পাওয়া যাচ্ছে কারণ নতুন ব্যাটারি ব্যাকআপ হয়েছে এই কারণে, আবার কেউ কেউ বলেছে হঠাৎ টেলিটকের এত উন্নয়ন।
চলমান নতুন কাজগুলো দ্রুত যদি বর্তমান টেলিটক সম্পন্ন করতে পারে দেশে মার্কেট শেয়ার অনেকটাই বেড়ে যাবে টেলিটকের, নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক BTRC এক কর্মকর্তা বলে এক হাজারের উপরে টেলিটকের কমপ্লেন ছিল তার মধ্যে ৭০০ এরও বেশি কমপ্লেইন নিষ্পত্তি করা হয়েছে। ভৈরব জেলার শারমিন আক্তার নামে এক শিক্ষার্থী জানায় দীর্ঘদিন থেকে আমি বর্ণমালা সিম ব্যবহার করি মিনিট ফুরিয়ে যাওয়া বা হারিয়ে যাওয়ার কোন ভয় না থাকার কারণে আমি প্রতিবারই ৩০ টাকা রিচার্জ করলে ৩০ মিনিট ৩০ এসএমএস ফ্রি পাই, এগুলা দিয়ে অন্য আমার বন্ধু বান্ধবের সাথে কথা বলতে পারি।
অনেক অভিযোগ রয়েছে টেলিটকের বিরুদ্ধে নেটওয়ার্ক ইস্যু নিয়ে ইতিমধ্যে টেলিটকের এক কর্মকর্তাকে প্রশ্ন করলে তিনি উত্তর দেয় দৃশ্যমান হচ্ছে চলমান কার্যক্রম বিদ্যুৎ গেলে নেটওয়ার্ক থাকে না সেই সমস্ত সাইটে নতুন ব্যাটারি লাগানো হচ্ছে চলমান প্রতিক্রিয়া রয়েছে এবং অনেক সাইটে লাগানো হয়েছে , বিদ্যুৎ গেলে নেটওয়ার্ক থাকে না এই সমস্যা সমাধানের জন্য গত ঈদের আগে থেকেই, বেশ কিছু টাওয়ারে ব্যাটারি লাগানো উদ্যোগ গ্রহণ করেছে টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড, সেই টেন্ডারের ২৪ শো পিস ১০০ এম্পিয়ার, লিথিয়াম ব্যাটারি কেনা হয়েছে পাশাপাশি রেকটিফায়ার সহ আনুষাঙ্গিক যন্ত্রাংশ প্রতিটি সাইটে লাগানো হচ্ছে,
আরো অনেক গ্রাহকের অভিযোগ ছিল ফোরজি না থাকার কারণ , গত ২ জুনের পর থেকেই 4G+ দ্রুত গতিতে ফোরজি আপগ্রেশন, ইতিমধ ৪৫০০+ 4g + আপডেট হয়েছে। বিগত সরকারের আমলে নেটওয়ার্ক সমাধানের লক্ষ্যে একটি অপারেটরের সাথে রোমিং চুক্তি হয় কিন্তু সেই চুক্তিটি বাস্তবায়ন হয় নাই, এর মূলত কারণ হলো অতিরিক্ত কল রেট চেয়েছে সেই মোবাইল অপরোটরটি,সেই অপারেটরের ও কলরেট নেই এতটা তারা চেয়েছে, এই কারণেই টেলিটক এই চুক্তিতে রাজি হয়নি ।
বর্তমানে কিছু কিছু গ্রাহকের দাবি ছিল আপডেট টেকনোলজি ভোল্টি আনা, এই ব্যাপার নিয়েও কাজ শুরু করে দিয়েছে টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড।
টেলিটকের প্রধান সমস্যা ছিল, রিচার্জ পাওয়া যেত না কোথাও, গত জুলাই মাসে বিকাশের সাথে চুক্তি করে, পঞ্চম প্রজন্মের রিসার্চ সিস্টেম চালু করে টেলিটক, বিকাশ এজেন্ট সিম থেকে টেলিটক রিচার্জ চুক্তি এর ফলে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল পাওয়া যাবে টেলিটক থেকে শুরু করে শতভাগ রিসার্চ পাওয়া যায় এখন টেলিটকে। প্রতিটি বিকাশ এজেন্ট ১ হাজারে কমিশন পাচ্ছে ২৫ টাকা, টেলিটক রিচার্জে, এতে করে তাদের একটি বাড়তি আয়ের সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে টেলিটক।
অনেক গ্রাহক কাস্টমার কেয়ার না চলার কারণে টেলিটকে আবেদন করছিল ঘরে বসে যাতে টেলিটক সিম নিতে পারে সেই ব্যবস্থাও করেছে ডাক বিভাগের মাধ্যমে ঘরে বসে থেকেই সিম পাচ্ছে বর্তমানে দেশের কিছু পোস্ট অফিসে চলমান রয়েছে কার্যক্রম পরবর্তীতে শতভাগ হবে বলে আশ্বাস দিয়েছে টেলিটক কর্তৃপক্ষ।
নানান জটিলতার মধ্যে আটকে রয়েছে ইটকোর সাথে সাথে চুক্তির ২৩০০ এই সাইটগুলো দৃশ্যমান হইলে টেলিটক অনেক এগিয়ে যাবে বলে মন্তব্য সাধারণ গ্রাহক থেকে বিশিষ্টজনেরা।
চলমান নানান উন্নয়ন কর্মকান্ডকে বাধাগ্রস্ত করতে টেলিটকের মধ্যেই কিছু অসাধু কর্মকর্তা জোর করে প্রমোশন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নাম ভাঙ্গিয়ে বিনা পরীক্ষায় অটো পাসের মত প্রমোশন চাচ্ছে ,
তাদের দাবি সমূহ যা অবাস্তব ভিত্তিহীন ।
এ ব্যাপারে বর্তমান ব্যবস্থাপক কে দক্ষতার সাথে পরিস্থিতি মোকাবেলা করে তৃণমূল পর্যায়ে থেকে শুরু করে শহর পর্যন্ত জনগণের যে প্রত্যাশা রয়েছে আকাঙ্ক্ষা রয়েছে সেগুলো দায়িত্ব বাস্তবায়নে কঠোর হইতে হইবে এমন মন্তব্য করেছে অনেক বিশিষ্টজনেরা।





















