০৯:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পরিবেশ ও সেবার অনন্য উদ্যোগ: নকলায় হাফেজিয়া মাদ্রাসা-এতিমখানা মাঠে ফলজ গাছের চারা রোপন

  • Reporter Name
  • Update Time : ১০:৩৬:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫
  • ৩০৩৮ বার পঠিত হয়েছে

মোঃ সেলিম রেজা, নকলা (শেরপুর) প্রতিনিধি: শেরপুরের নকলা উপজেলার টালকী ইউনিয়নের বড়পাগলা গ্রামের আলহাজ্ব আবু বাক্কার সিদ্দিক নূরাণীয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার বার্ষিক আয় ও সৌন্দর্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে এবং শিক্ষার্থীদের ফলের চাহিদা পূরনের উদ্দেশ্যে মাদ্রাসা প্রাঙ্গনে বিভিন্ন জাতের ৯২টি ফলজ গাছের চারা রোপন করেছে নকলা অদম্য মেধাবী সংস্থার নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।

সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী আবু শরীফ কামরুজ্জামান এর পরামর্শে ও অর্থায়নে সংস্থাটির অন্যান্য পরিচালকসহ সদস্যরা সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসা পরিচালনা পরিষদের সদস্যগনসহ মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের হাতে একটি করে ফলজ গাছের চারা তুলেদেন। পরে মাদ্রাসা প্রাঙ্গনের উপযুক্ত জায়গায় গাছের চারা গুলো রোপন করা হয়।

সংস্থাটির পরিচালকগন জানান, বৃক্ষ শুধু পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষাই করে না, মানুষের জীবিকা ও ভবিষ্যতের নিরাপত্তাও নিশ্চিত করে। বিশেষ করে কোন প্রতিষ্ঠানের জায়গায় রোপন করা হলে তা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক আয় বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে সক্ষম। এসব বিবেচনায় রেখেই নকলা অদম্য মেধাবী সংস্থা উপজেলা ও জেলার বিভিন্ন ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রাঙ্গনে ফলজ গাছের বারা রোপনের কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে নকলা উপজেলার টালকী ইউনিয়নের বড়পাগলা গ্রামের আলহাজ্ব আবু বাক্কার সিদ্দিক নূরাণীয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা প্রাঙ্গনে বিভিন্ন জাতের ৯২টি ফলজ গাছের চারা রোপন করা হলো। সামাজিক উন্নয়ন মূলক এই বৃক্ষরোপন কর্মসূচি কয়েক বছর ধরে চলে আসছে। সবার পরামর্শ ও সার্বিক সহযোগিতা পেলে প্রয়োজন ও চাহিদা মোতাবেক প্রতিবছর ফলজ গাছের চারা রোপন করা সম্ভব হবে বলে তারা আশাব্যক্ত করেন।

এসময় সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসা ও এতিমখানা পরিচালনা পরিষদের সদস্য, মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

সতর্কতাঃ এই ওয়েবসাইটে নিজস্ব সংবাদের পাশাপাশি বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যম থেকে সূত্র উল্লেখপূর্বক সংবাদ প্রকাশ করা হয়। প্রকাশিত কোনো সংবাদের বিষয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে অনুগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট মূল সংবাদমাধ্যমের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এ ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও, ভিডিও ও অন্যান্য কনটেন্ট কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি ছাড়া ব্যবহার, অনুলিপি, পুনঃপ্রকাশ বা প্রচার করা কপিরাইট আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

প্রায় ৫২ কোটি টাকার মাদক ধ্বংস করল বিজিবি সীমান্তে নজরদারি জোরদারে বাড়ছে ড্রোন ও সিসিটিভির ব্যবহার

পরিবেশ ও সেবার অনন্য উদ্যোগ: নকলায় হাফেজিয়া মাদ্রাসা-এতিমখানা মাঠে ফলজ গাছের চারা রোপন

Update Time : ১০:৩৬:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫

মোঃ সেলিম রেজা, নকলা (শেরপুর) প্রতিনিধি: শেরপুরের নকলা উপজেলার টালকী ইউনিয়নের বড়পাগলা গ্রামের আলহাজ্ব আবু বাক্কার সিদ্দিক নূরাণীয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার বার্ষিক আয় ও সৌন্দর্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে এবং শিক্ষার্থীদের ফলের চাহিদা পূরনের উদ্দেশ্যে মাদ্রাসা প্রাঙ্গনে বিভিন্ন জাতের ৯২টি ফলজ গাছের চারা রোপন করেছে নকলা অদম্য মেধাবী সংস্থার নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।

সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী আবু শরীফ কামরুজ্জামান এর পরামর্শে ও অর্থায়নে সংস্থাটির অন্যান্য পরিচালকসহ সদস্যরা সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসা পরিচালনা পরিষদের সদস্যগনসহ মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের হাতে একটি করে ফলজ গাছের চারা তুলেদেন। পরে মাদ্রাসা প্রাঙ্গনের উপযুক্ত জায়গায় গাছের চারা গুলো রোপন করা হয়।

সংস্থাটির পরিচালকগন জানান, বৃক্ষ শুধু পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষাই করে না, মানুষের জীবিকা ও ভবিষ্যতের নিরাপত্তাও নিশ্চিত করে। বিশেষ করে কোন প্রতিষ্ঠানের জায়গায় রোপন করা হলে তা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক আয় বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে সক্ষম। এসব বিবেচনায় রেখেই নকলা অদম্য মেধাবী সংস্থা উপজেলা ও জেলার বিভিন্ন ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রাঙ্গনে ফলজ গাছের বারা রোপনের কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে নকলা উপজেলার টালকী ইউনিয়নের বড়পাগলা গ্রামের আলহাজ্ব আবু বাক্কার সিদ্দিক নূরাণীয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা প্রাঙ্গনে বিভিন্ন জাতের ৯২টি ফলজ গাছের চারা রোপন করা হলো। সামাজিক উন্নয়ন মূলক এই বৃক্ষরোপন কর্মসূচি কয়েক বছর ধরে চলে আসছে। সবার পরামর্শ ও সার্বিক সহযোগিতা পেলে প্রয়োজন ও চাহিদা মোতাবেক প্রতিবছর ফলজ গাছের চারা রোপন করা সম্ভব হবে বলে তারা আশাব্যক্ত করেন।

এসময় সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসা ও এতিমখানা পরিচালনা পরিষদের সদস্য, মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।