১০:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণ মামলার আসামি র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার

  • Reporter Name
  • Update Time : ০২:৪০:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬
  • ৩০৩২ বার পঠিত হয়েছে

আবুল হোসেন বাবলুঃ

বাদীর দায়ের করা এজাহারের বরাত দিয়ে র‍্যাব-১৩’র সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রতিবন্ধি শিশু (৮) কে দাদির বাড়িতে রেখে ঢাকায় পোশাক কারখানায় শ্রমিকের কাজ করেন, শিশুটির বাবা-মা।

শারীরিক প্রতিবন্ধি শিশুটি প্রায়ই সময় একা একা বাড়ির বাহিরে ঘুরে বেড়ায়। এই সুযোগে প্রতিবেশী ৫৫ বছর বয়সী দাদা মোকারম হোসেন প্রায় সময়ই শিশুটির শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেয়। শিশুটি তার চাচাকে এবিষয়ে জানালে তার চাচা অভিযুক্ত মোকারমকে শাসিয়ে দেয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে মোকারম হোসেন।

এরই ধারাবাহিকতায় গত ১০ মে ঘাস কাটার জন্য প্রতিবন্ধী শিশুটি বাড়ির বাইরে গেলে মোকারম পূর্ব পরিকল্পিতভাবে চকলেট দেওয়ার প্রলোভন দিয়ে শিশুটিকে বাড়ির পিছনে একটি বাঁশ ঝাড়ে নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। শিশুটি চিৎকার কান্নাকাটি করতে করতে বাড়ি গিয়ে দাদি ও চাচাকে বিষয়টি জানায়।

পরবর্তীতে ভিকটিমের চাচা বাদী হয়ে মোকারম হোসেনের বিরুদ্ধে দিনাজপুর জেলার চিরিরবন্দর থানায় ধারা- ৯(১) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ২০০০ (সংশোধন ২০২৫) এর একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং-১১।

ঘটনার পর থেকে গ্রেফতার এড়াতে মোকারম হোসেন আত্মগোপনে ছিলো। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় আসামি গ্রেফতারের লক্ষ্যে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি র‍্যাব গোয়েন্দা নজরদারি ও ছায়া তদন্ত শুরু করে।

তদন্তের একপর্যায়ে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ০৭ জুন মধ্য রাতে র‌্যাব-১৩ সিপিসি-১ দিনাজপুর ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর থানাধীন ০৭ নং মোস্তফাপুর ইউপির ০৬নং ওয়ার্ডের কুতুবপুর গ্রামে অভিযান চালায়। এ সময় জনৈক আব্দুল আজিজের বাড়ি থেকে উল্লেখিত মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামি দিনাজপুর জেলার চিরিরিবন্দর থানার অন্তর্ভুক্ত চকমুসা (চেয়ারম্যান পাড়া) গ্রামের
মৃত হাছির উদ্দিনের ছেলে মোকারম হোসেন (৫৫)। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গ্রেফতারকৃত আসামিকে দিনাজপুর জেলার চিরিরবন্দর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

সতর্কতাঃ এই ওয়েবসাইটে নিজস্ব সংবাদের পাশাপাশি বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যম থেকে সূত্র উল্লেখপূর্বক সংবাদ প্রকাশ করা হয়। প্রকাশিত কোনো সংবাদের বিষয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে অনুগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট মূল সংবাদমাধ্যমের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এ ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও, ভিডিও ও অন্যান্য কনটেন্ট কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি ছাড়া ব্যবহার, অনুলিপি, পুনঃপ্রকাশ বা প্রচার করা কপিরাইট আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

প্রায় ৫২ কোটি টাকার মাদক ধ্বংস করল বিজিবি সীমান্তে নজরদারি জোরদারে বাড়ছে ড্রোন ও সিসিটিভির ব্যবহার

প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণ মামলার আসামি র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার

Update Time : ০২:৪০:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

আবুল হোসেন বাবলুঃ

বাদীর দায়ের করা এজাহারের বরাত দিয়ে র‍্যাব-১৩’র সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রতিবন্ধি শিশু (৮) কে দাদির বাড়িতে রেখে ঢাকায় পোশাক কারখানায় শ্রমিকের কাজ করেন, শিশুটির বাবা-মা।

শারীরিক প্রতিবন্ধি শিশুটি প্রায়ই সময় একা একা বাড়ির বাহিরে ঘুরে বেড়ায়। এই সুযোগে প্রতিবেশী ৫৫ বছর বয়সী দাদা মোকারম হোসেন প্রায় সময়ই শিশুটির শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেয়। শিশুটি তার চাচাকে এবিষয়ে জানালে তার চাচা অভিযুক্ত মোকারমকে শাসিয়ে দেয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে মোকারম হোসেন।

এরই ধারাবাহিকতায় গত ১০ মে ঘাস কাটার জন্য প্রতিবন্ধী শিশুটি বাড়ির বাইরে গেলে মোকারম পূর্ব পরিকল্পিতভাবে চকলেট দেওয়ার প্রলোভন দিয়ে শিশুটিকে বাড়ির পিছনে একটি বাঁশ ঝাড়ে নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। শিশুটি চিৎকার কান্নাকাটি করতে করতে বাড়ি গিয়ে দাদি ও চাচাকে বিষয়টি জানায়।

পরবর্তীতে ভিকটিমের চাচা বাদী হয়ে মোকারম হোসেনের বিরুদ্ধে দিনাজপুর জেলার চিরিরবন্দর থানায় ধারা- ৯(১) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ২০০০ (সংশোধন ২০২৫) এর একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং-১১।

ঘটনার পর থেকে গ্রেফতার এড়াতে মোকারম হোসেন আত্মগোপনে ছিলো। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় আসামি গ্রেফতারের লক্ষ্যে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি র‍্যাব গোয়েন্দা নজরদারি ও ছায়া তদন্ত শুরু করে।

তদন্তের একপর্যায়ে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ০৭ জুন মধ্য রাতে র‌্যাব-১৩ সিপিসি-১ দিনাজপুর ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর থানাধীন ০৭ নং মোস্তফাপুর ইউপির ০৬নং ওয়ার্ডের কুতুবপুর গ্রামে অভিযান চালায়। এ সময় জনৈক আব্দুল আজিজের বাড়ি থেকে উল্লেখিত মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামি দিনাজপুর জেলার চিরিরিবন্দর থানার অন্তর্ভুক্ত চকমুসা (চেয়ারম্যান পাড়া) গ্রামের
মৃত হাছির উদ্দিনের ছেলে মোকারম হোসেন (৫৫)। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গ্রেফতারকৃত আসামিকে দিনাজপুর জেলার চিরিরবন্দর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।