০৮:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গাজীপুরের কালিয়াকৈর পৌরসভায় পরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অভাবে যত্রতত্র ফেলা ময়লা-আবর্জনা থেকে মারাত্মক গন্ধ ও নানা ধরনের সংক্রামক রোগব্যাধি ছড়িয়ে পড়ায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন সংক্ষুব্ধ পৌরবাসী।

কালিয়াকৈরে পৌরসভায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ছড়াচ্ছে নানা ধরনের রোগব্যাধি, পৌরবাসির বিক্ষোভ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০২:৩৮:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
  • ৩০২২ বার পঠিত হয়েছে

কালিয়াকৈর পৌরসভার জনবহুল রাস্তার পাশে অপরিকল্পিতভাবে ফেলা ময়লা-আবর্জনা ও বর্জ্যের স্তূপ, যার দুর্গন্ধ ও দূষণে অতিষ্ঠ হয়ে বিক্ষোভ করেছেন পৌরবাসী। ছবি: দৈনিক সরেজমিন।

শাকিল হোসেন,কালিয়াকৈর (গাজীপুর)প্রতিনিধিঃ গাজীপুরের কালিয়াকৈর পৌরসভার ৫ নং হরতকিতলা আমতলা মোড়,বাদশা হাউজ ও ৮ নং ওর্য়াডের পূর্ব চান্দরা ছাপড়া মসজিদ বটতলা মন্দির এলাকায় বুধবার সকালে পৌরসভার ময়লার ভাগাড়ের কারনে অতিষ্ঠ হয়ে বিক্ষোভ করেছে পৌরবাসী।
বিক্ষোভ সূত্রে জানা যায়, পৌর সভার বটতলা মন্দির এলাকায় খোলা আকাশের নিচে যত্রতত্র ময়লা আর্বজনা ফেলার কারনে বিষাক্ত গ্যাস, যা পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি জনস্বাস্থ্য মারাত্মক হুমকির মুখে। বিশেষ করে শিশু, কিশোর, বয়স্করা শ্বাসকষ্ট, আল্যার্জি, ডাইরিয়া ও ত্বকের সমস্যার ভুগছেন বলে বিক্ষোভ করেছে স্থানীয়রা। রাতে দুর্গন্ধে ঘুমাতে পারেনা। বৃষ্টি হলে আবর্জনা, দুর্গন্ধ চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। রান্নাবান্না ঠিক মত করা যাচ্ছে না। খাবারে মাছি পড়ছে ফলে রোগব্যাধি দেখা দিচ্ছে। বর্জ্যের দুর্গন্ধের কারণে বসতবাড়িতে নাকে কাপড় বা রুমাল চেপে থাকতে হচ্ছে। দুর্গন্ধের কারণে খাবার খাওয়ায় সমস্যা হচ্ছে। মশা মাছি অতিষ্ঠ করেছে জনজীবন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে ময়লা আর্বজনার দুর্গন্ধে কারনে শিক্ষার্থীরা রয়েছে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে।
নাজিম ও বাবুল হাওলাদার বলেন, পৌরসভার বর্জ্য ফেলার কারনে বাড়ছে নানান রোগব্যাধি। দুগন্ধে ভাত খেতে পারিনা। বাসাবাড়ির ভাড়াটিয়া দুর্গন্ধ সব চলে যাচ্ছে। শিশুদের নিয়মিত পাঠদানে সমস্যা হচ্ছে। মন্দির, দোকানপাট, মসজিদ বাসাবাড়িতে বসবাস করা বিঘ্ন ঘটছে।
রোকন জানান, আর্বজনা ও বর্জ্যের কারনে আমার দুটি সন্তান অসুস্থ । অসুস্থতার কারনে আমি কাজে যেতে পারছিনা। এতে করে আমার পরিবারের ভরণপোষণ করা কঠিন হয়ে পড়ছে।
নজরুল ইসলাম , আমিরুল ইসলাম , জীবন চন্দ্র, সাজিদ মিয়া, নাজমূল আলম, মালা জানান, বর্জ্যের ভাগাড়ের কারনে বাড়ছে নানান রোগব্যাধি, শিশু ও বয়স্কদের শ্বাস নিশ্বাসে কষ্ট হচ্ছে। খাবার রান্না করা, খাবারের মাছি বসছে। দুর্গন্ধ চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে নানান ধরনের রোগব্যাধি দেখা দিচ্ছে। দ্রুত পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে এই আর্বজনা ফেলা বন্ধ করতে হবে ও বর্জ্য সরিয়ে ফেলতে হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক বলেন, এ এইচ এম ফখরুল হোসাইন বলেন পৌরসভার পক্ষ থেকে অতি দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সতর্কতাঃ এই ওয়েবসাইটে নিজস্ব সংবাদের পাশাপাশি বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যম থেকে সূত্র উল্লেখপূর্বক সংবাদ প্রকাশ করা হয়। প্রকাশিত কোনো সংবাদের বিষয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে অনুগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট মূল সংবাদমাধ্যমের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এ ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও, ভিডিও ও অন্যান্য কনটেন্ট কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি ছাড়া ব্যবহার, অনুলিপি, পুনঃপ্রকাশ বা প্রচার করা কপিরাইট আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

প্রায় ৫২ কোটি টাকার মাদক ধ্বংস করল বিজিবি সীমান্তে নজরদারি জোরদারে বাড়ছে ড্রোন ও সিসিটিভির ব্যবহার

গাজীপুরের কালিয়াকৈর পৌরসভায় পরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অভাবে যত্রতত্র ফেলা ময়লা-আবর্জনা থেকে মারাত্মক গন্ধ ও নানা ধরনের সংক্রামক রোগব্যাধি ছড়িয়ে পড়ায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন সংক্ষুব্ধ পৌরবাসী।

কালিয়াকৈরে পৌরসভায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ছড়াচ্ছে নানা ধরনের রোগব্যাধি, পৌরবাসির বিক্ষোভ

Update Time : ০২:৩৮:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

শাকিল হোসেন,কালিয়াকৈর (গাজীপুর)প্রতিনিধিঃ গাজীপুরের কালিয়াকৈর পৌরসভার ৫ নং হরতকিতলা আমতলা মোড়,বাদশা হাউজ ও ৮ নং ওর্য়াডের পূর্ব চান্দরা ছাপড়া মসজিদ বটতলা মন্দির এলাকায় বুধবার সকালে পৌরসভার ময়লার ভাগাড়ের কারনে অতিষ্ঠ হয়ে বিক্ষোভ করেছে পৌরবাসী।
বিক্ষোভ সূত্রে জানা যায়, পৌর সভার বটতলা মন্দির এলাকায় খোলা আকাশের নিচে যত্রতত্র ময়লা আর্বজনা ফেলার কারনে বিষাক্ত গ্যাস, যা পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি জনস্বাস্থ্য মারাত্মক হুমকির মুখে। বিশেষ করে শিশু, কিশোর, বয়স্করা শ্বাসকষ্ট, আল্যার্জি, ডাইরিয়া ও ত্বকের সমস্যার ভুগছেন বলে বিক্ষোভ করেছে স্থানীয়রা। রাতে দুর্গন্ধে ঘুমাতে পারেনা। বৃষ্টি হলে আবর্জনা, দুর্গন্ধ চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। রান্নাবান্না ঠিক মত করা যাচ্ছে না। খাবারে মাছি পড়ছে ফলে রোগব্যাধি দেখা দিচ্ছে। বর্জ্যের দুর্গন্ধের কারণে বসতবাড়িতে নাকে কাপড় বা রুমাল চেপে থাকতে হচ্ছে। দুর্গন্ধের কারণে খাবার খাওয়ায় সমস্যা হচ্ছে। মশা মাছি অতিষ্ঠ করেছে জনজীবন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে ময়লা আর্বজনার দুর্গন্ধে কারনে শিক্ষার্থীরা রয়েছে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে।
নাজিম ও বাবুল হাওলাদার বলেন, পৌরসভার বর্জ্য ফেলার কারনে বাড়ছে নানান রোগব্যাধি। দুগন্ধে ভাত খেতে পারিনা। বাসাবাড়ির ভাড়াটিয়া দুর্গন্ধ সব চলে যাচ্ছে। শিশুদের নিয়মিত পাঠদানে সমস্যা হচ্ছে। মন্দির, দোকানপাট, মসজিদ বাসাবাড়িতে বসবাস করা বিঘ্ন ঘটছে।
রোকন জানান, আর্বজনা ও বর্জ্যের কারনে আমার দুটি সন্তান অসুস্থ । অসুস্থতার কারনে আমি কাজে যেতে পারছিনা। এতে করে আমার পরিবারের ভরণপোষণ করা কঠিন হয়ে পড়ছে।
নজরুল ইসলাম , আমিরুল ইসলাম , জীবন চন্দ্র, সাজিদ মিয়া, নাজমূল আলম, মালা জানান, বর্জ্যের ভাগাড়ের কারনে বাড়ছে নানান রোগব্যাধি, শিশু ও বয়স্কদের শ্বাস নিশ্বাসে কষ্ট হচ্ছে। খাবার রান্না করা, খাবারের মাছি বসছে। দুর্গন্ধ চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে নানান ধরনের রোগব্যাধি দেখা দিচ্ছে। দ্রুত পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে এই আর্বজনা ফেলা বন্ধ করতে হবে ও বর্জ্য সরিয়ে ফেলতে হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক বলেন, এ এইচ এম ফখরুল হোসাইন বলেন পৌরসভার পক্ষ থেকে অতি দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।