০৭:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সুপ্রিমকোর্টে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস কনভেনশনে পাঁচ তারকার সঙ্গে সময় কাটালেন সাংবাদিক মোহাম্মদ আবদুল অদুদ

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:৩৭:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫
  • ৩০৬১ বার পঠিত হয়েছে

মোঃ শাহজাহান বাশার

জাতীয় মানবাধিকার সুরক্ষা ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সুপ্রিমকোর্ট বার এসোসিয়েশন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হলো দ্বিতীয় ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস কনভেনশন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও মানবাধিকার অঙ্গনের পাঁচজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব — বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি রেজাউদ্দিন স্টালিন, প্রখ্যাত মিডিয়া ব্যক্তিত্ব কবি আসাদ কাজল, জাতীয় মানবাধিকার সোসাইটির চেয়ারম্যান ড. নজরুল ইসলাম তামিজী, মহাসচিব ব্যারিস্টার আফতাব উদ্দিন তপন, এবং ভাইস চেয়ারম্যান প্রিন্সিপাল সালাহ উদ্দিন ভূইয়া।

এই সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক মোহাম্মদ আবদুল অদুদ, যিনি বলেন, “এমন একটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কনভেনশনে দেশের শীর্ষস্থানীয় মানবাধিকার ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের একত্রে দেখা পাওয়া সত্যিই অনন্য অভিজ্ঞতা। তাঁদের বক্তব্য ও দিকনির্দেশনা আমাদের সমাজে ন্যায়, মানবিকতা ও সংস্কৃতির বিকাশে অনুপ্রেরণা যোগাবে।”

অনুষ্ঠানে বক্তারা মানবাধিকার রক্ষা, সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, নারী ও শিশুদের অধিকার সুরক্ষা এবং গণমাধ্যমের ভূমিকা বিষয়ে মূল্যবান আলোচনা করেন। তারা আরও বলেন, বাংলাদেশকে একটি মানবিক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে নাগরিকদের সচেতনতা, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও রাজনৈতিক সদিচ্ছা অপরিহার্য।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে দেশি-বিদেশি মানবাধিকার কর্মীদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার প্রতিনিধি, সাংবাদিক, শিক্ষাবিদ, ও তরুণ সমাজকর্মীরা।

সাংবাদিক মোঃ শাহজাহান বাশার বলেন, “মানবাধিকার শুধু নীতিগত নয়, এটি একটি জীবনবোধ। মানবিক বাংলাদেশ গঠনে প্রত্যেকের অংশগ্রহণই পারে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে।”

সতর্কতাঃ এই ওয়েবসাইটে নিজস্ব সংবাদের পাশাপাশি বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যম থেকে সূত্র উল্লেখপূর্বক সংবাদ প্রকাশ করা হয়। প্রকাশিত কোনো সংবাদের বিষয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে অনুগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট মূল সংবাদমাধ্যমের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এ ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও, ভিডিও ও অন্যান্য কনটেন্ট কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি ছাড়া ব্যবহার, অনুলিপি, পুনঃপ্রকাশ বা প্রচার করা কপিরাইট আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

প্রায় ৫২ কোটি টাকার মাদক ধ্বংস করল বিজিবি সীমান্তে নজরদারি জোরদারে বাড়ছে ড্রোন ও সিসিটিভির ব্যবহার

সুপ্রিমকোর্টে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস কনভেনশনে পাঁচ তারকার সঙ্গে সময় কাটালেন সাংবাদিক মোহাম্মদ আবদুল অদুদ

Update Time : ১১:৩৭:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫

মোঃ শাহজাহান বাশার

জাতীয় মানবাধিকার সুরক্ষা ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সুপ্রিমকোর্ট বার এসোসিয়েশন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হলো দ্বিতীয় ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস কনভেনশন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও মানবাধিকার অঙ্গনের পাঁচজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব — বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি রেজাউদ্দিন স্টালিন, প্রখ্যাত মিডিয়া ব্যক্তিত্ব কবি আসাদ কাজল, জাতীয় মানবাধিকার সোসাইটির চেয়ারম্যান ড. নজরুল ইসলাম তামিজী, মহাসচিব ব্যারিস্টার আফতাব উদ্দিন তপন, এবং ভাইস চেয়ারম্যান প্রিন্সিপাল সালাহ উদ্দিন ভূইয়া।

এই সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক মোহাম্মদ আবদুল অদুদ, যিনি বলেন, “এমন একটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কনভেনশনে দেশের শীর্ষস্থানীয় মানবাধিকার ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের একত্রে দেখা পাওয়া সত্যিই অনন্য অভিজ্ঞতা। তাঁদের বক্তব্য ও দিকনির্দেশনা আমাদের সমাজে ন্যায়, মানবিকতা ও সংস্কৃতির বিকাশে অনুপ্রেরণা যোগাবে।”

অনুষ্ঠানে বক্তারা মানবাধিকার রক্ষা, সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, নারী ও শিশুদের অধিকার সুরক্ষা এবং গণমাধ্যমের ভূমিকা বিষয়ে মূল্যবান আলোচনা করেন। তারা আরও বলেন, বাংলাদেশকে একটি মানবিক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে নাগরিকদের সচেতনতা, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও রাজনৈতিক সদিচ্ছা অপরিহার্য।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে দেশি-বিদেশি মানবাধিকার কর্মীদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার প্রতিনিধি, সাংবাদিক, শিক্ষাবিদ, ও তরুণ সমাজকর্মীরা।

সাংবাদিক মোঃ শাহজাহান বাশার বলেন, “মানবাধিকার শুধু নীতিগত নয়, এটি একটি জীবনবোধ। মানবিক বাংলাদেশ গঠনে প্রত্যেকের অংশগ্রহণই পারে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে।”