
আবুল হোসেন বাবলুঃ
র্যাব-১৩ ও ৬ এর যৌথ অভিযানে দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর থানা এলাকার আলোচিত ইউপি সদস্যকে মারধরের পর ইনজেকশন সিরিঞ্জ এর মাধ্যমে শরীরে বিষ পুশ করে হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার।
মঙ্গলবার ১৯ আগস্ট র্যাব-১৩’র অধিনায়কের পক্ষে সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বাদীর দায়েরকৃত এজাহারের বরাত দিয়ে জানানো হয়, জমিজমা সংক্রান্ত পূর্ব শত্রুতার জের ধরে গত ০৮ জুলাই সকালে এজাহারে বর্ণিত ধৃত আসামী ও তার সহযোগীরা মিলে ইউপি সদস্য হারুন -অর-রশিদ (৪৫) কে দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর থানাধীন তুলশীগঙ্গা নদীর ধারে নিয়ে গিয়ে মারধরের পর শরীরে ইনজেকশন সিরিঞ্জ এর মাধ্যমে হত্যার উদ্দেশ্যে বিষ প্রয়োগ করে।
পরবর্তীতে স্থানীয় জনগনের মাধ্যমে ভিকটিমের পরিবার ভিকটিমকে চিকিৎসার জন্য ঘোড়াঘাট থানাধীন ওসমানপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়া সিএমএইচ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ৯ জুলাই সকালে হারুন-অর-রশিদ মৃত্যুবরণ করেন।
ঘটনার প্রেক্ষিতে ভিকটিমের পিতা আব্দুল মজিদ বাদী হয়ে দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং-১১/১৪১, তাং- ০৯/০৭/২০২৫ খ্রিঃ, ধারা-৩০২/৩৪ দঃ বিঃ ১৮৬০।
বিষয়টি নিয়ে প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও সোশ্যাল মিডিয়া এবং এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১৯ আগস্ট’২৫ ভোর সোয়া চারটার দিকে র্যাব-১৩ সিপিসি-১ দিনাজপুর এবং র্যাব-৬ সিপিসি-২ ঝিনাইদহ এর একটি যৌথ আভিযানিক দল মাগুরা জেলার সদর থানার অন্তর্ভুক্ত নতুন বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে উক্ত হত্যা মামলার প্রধান আসামীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর থানাধীন বাওনা গ্রামের মৃত ময়েজ উদ্দিন মন্ডলের ছেলে মামুনুর রশিদ (৫০)। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গ্রেফতারকৃত আসামীকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। ###





















