০২:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বিএসপি)র নতুন মহাসচিব নির্বাচিত হয়েছেন অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলী চৌধুরী মানিক।

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৩:৪৬:৫৪ অপরাহ্ন, রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১০০৪৩ বার পঠিত হয়েছে

মোঃ শাহজাহান বাশার

জনগণের জীবন-জীবিকা রক্ষা, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও রাজনৈতিক সমঅধিকার নিশ্চিতসহ ১৩ দফা দাবি উত্থাপন করেছে বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বিএসপি)। একই সঙ্গে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারে দেশের সব উপজেলা ও জেলায় পর্যায়ক্রমে সম্মেলন আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি। এ ছাড়া দলের নতুন মহাসচিব নির্বাচিত হয়েছেন অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলী চৌধুরী মানিক।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত বিএসপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট কাজী মহসীন চৌধুরী।

সভায় গৃহীত ১৩ দফা দাবিতে দেশের বিদ্যমান অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি, জনজীবনের সংকট, কর্মসংস্থান, কৃষি, আইনশৃঙ্খলা, রাজনৈতিক অধিকার, ধর্মীয় স্বাধীনতা, রাষ্ট্রীয় ব্যয়, সুশাসন ও দুর্নীতি প্রতিরোধের বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে।

বিএসপির ১৩ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে—জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি পুনর্বিবেচনা করে জনগণের ক্রয়ক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ মূল্যনীতি গ্রহণ; বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকট নিরসনে কার্যকর জাতীয় জ্বালানি পরিকল্পনা প্রণয়ন; বন্ধ কলকারখানা চালু করে নতুন শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা এবং ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি। পাশাপাশি শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি, চাকরির নিশ্চয়তা ও কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে।

কৃষি খাতে কৃষকদের সময়মতো সার, বীজ, কীটনাশক, সেচ, বিদ্যুৎ ও প্রয়োজনীয় উপকরণ সরবরাহের পাশাপাশি কালোবাজারি, মজুতদারি, কৃত্রিম সংকট ও ডিলার পর্যায়ের অনিয়ম বন্ধের দাবি জানিয়েছে দলটি। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে মজুতদারি, সিন্ডিকেট, বাজার কারসাজি ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণেরও আহ্বান জানানো হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিএসপির দাবিতে খুন, ধর্ষণ, বলাৎকার, নারী ও শিশু নির্যাতনসহ যৌন অপরাধের দ্রুত ও নিরপেক্ষ বিচার নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। অপরাধীর রাজনৈতিক বা সামাজিক পরিচয় বিবেচনায় না নিয়ে আইনের আওতায় আনা এবং মব সহিংসতা, গণপিটুনি ও আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার প্রবণতা বন্ধের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

রাজনৈতিক অধিকার প্রসঙ্গে দলটি সব বৈধ রাজনৈতিক দলের সমঅধিকার, মতপ্রকাশ, সভা-সমাবেশ ও সাংগঠনিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও রাজনীতির নামে বিরাজনীতিকরণ বন্ধ করে জনগণের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার আহ্বানও জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে ২০২৪ সালের গণআন্দোলনের ঘটনাবলি নিরপেক্ষভাবে মূল্যায়ন এবং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও চেতনাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার না করার দাবি তুলে ধরা হয়েছে।

ধর্মীয় স্বাধীনতা ও নিরাপত্তার বিষয়ে মাজার, খানকা, দরগাহসহ সব ধর্মীয় উপাসনালয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত, হামলাকারীদের বিচার, ক্ষতিগ্রস্ত ধর্মীয় স্থাপনা পুনর্নির্মাণ এবং ক্ষতিগ্রস্তদের ন্যায্য ক্ষতিপূরণ প্রদানের দাবি জানিয়েছে বিএসপি। পাশাপাশি সব মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা কার্যকরভাবে নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

রাষ্ট্রীয় অর্থব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে বৃহৎ সরকারি ব্যয় ও বৈদেশিক ঋণনির্ভর প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে জনগণের স্বার্থ, অর্থনৈতিক সক্ষমতা ও ঋণের বোঝা বিবেচনায় নেওয়ার দাবি জানিয়েছে দলটি। রাষ্ট্রের সর্বস্তরে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে।

সভায় দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম গতিশীল করার লক্ষ্যে পর্যায়ক্রমে দেশের সব উপজেলা ও জেলায় সম্মেলন আয়োজনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এ ছাড়া সর্বসম্মতিক্রমে অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলী চৌধুরী মানিককে দলের নতুন মহাসচিব নির্বাচিত করা হয়।

সভায় বিএসপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট কাজী মহসীন চৌধুরী বলেন, “জনগণের জীবন-জীবিকা ও রাজনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করতে ১৩ দফা নিয়ে মাঠে থাকবে বিএসপি।” জনগণের জীবন, অধিকার, নিরাপত্তা, মর্যাদা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দলের রাজনৈতিক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

সভায় বক্তব্য দেন নবনিযুক্ত মহাসচিব অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলী চৌধুরী মানিক, ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা রুহুল আমিন ভূঁইয়া, পীরজাদা কাজী আশিকুর রহমান হাশেমী, মোহাম্মদ মনির হোসেন, মো. সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত মহাসচিব মো. আসলাম হোসাইন, যুগ্ম মহাসচিব ও দপ্তর সম্পাদক মো. ইব্রাহিম মিয়া, যুগ্ম মহাসচিব সোহেল সামাদ বাচ্চু, ঢালি কামরুজ্জামান হারুন, মোহাম্মদ রাশেদ চৌধুরী, মো. মহরম আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম বারী, বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ মানিক, সহঅর্থ সম্পাদক মো. মোশারফ হোসেন মিয়া, প্রচার সম্পাদক চৌধুরী মোহাম্মদ হোসেন, ছাত্রকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক ফরহাদ হোসেন, আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান, মানবাধিকারবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম, সহশ্রমবিষয়ক সম্পাদক আক্তার হোসেন, প্রকাশনাবিষয়ক সম্পাদক মাহিদুল ইসলাম মাহি, মৎস্যবিষয়ক সম্পাদক জাহিদুল আলম, সহপ্রচার সম্পাদক কামরুজ্জামান কামরুল, কেন্দ্রীয় সদস্য উর্মি ইসলাম ও মরিয়ম আক্তার রোজীসহ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের নেতারা।

সভায় দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। জনগণের জীবনমান উন্নয়ন, অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দলীয় রাজনৈতিক কর্মসূচি সম্প্রসারণ এবং সাংগঠনিক কাঠামো আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন নেতারা।

সতর্কতাঃ এই ওয়েবসাইটে নিজস্ব সংবাদের পাশাপাশি বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যম থেকে সূত্র উল্লেখপূর্বক সংবাদ প্রকাশ করা হয়। প্রকাশিত কোনো সংবাদের বিষয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে অনুগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট মূল সংবাদমাধ্যমের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এ ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও, ভিডিও ও অন্যান্য কনটেন্ট কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি ছাড়া ব্যবহার, অনুলিপি, পুনঃপ্রকাশ বা প্রচার করা কপিরাইট আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

হারানোর বেদনা থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর শিক্ষা-আইনজীবী হাবিবুল হক

বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বিএসপি)র নতুন মহাসচিব নির্বাচিত হয়েছেন অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলী চৌধুরী মানিক।

Update Time : ০৩:৪৬:৫৪ অপরাহ্ন, রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মোঃ শাহজাহান বাশার

জনগণের জীবন-জীবিকা রক্ষা, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও রাজনৈতিক সমঅধিকার নিশ্চিতসহ ১৩ দফা দাবি উত্থাপন করেছে বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বিএসপি)। একই সঙ্গে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারে দেশের সব উপজেলা ও জেলায় পর্যায়ক্রমে সম্মেলন আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি। এ ছাড়া দলের নতুন মহাসচিব নির্বাচিত হয়েছেন অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলী চৌধুরী মানিক।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত বিএসপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট কাজী মহসীন চৌধুরী।

সভায় গৃহীত ১৩ দফা দাবিতে দেশের বিদ্যমান অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি, জনজীবনের সংকট, কর্মসংস্থান, কৃষি, আইনশৃঙ্খলা, রাজনৈতিক অধিকার, ধর্মীয় স্বাধীনতা, রাষ্ট্রীয় ব্যয়, সুশাসন ও দুর্নীতি প্রতিরোধের বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে।

বিএসপির ১৩ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে—জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি পুনর্বিবেচনা করে জনগণের ক্রয়ক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ মূল্যনীতি গ্রহণ; বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকট নিরসনে কার্যকর জাতীয় জ্বালানি পরিকল্পনা প্রণয়ন; বন্ধ কলকারখানা চালু করে নতুন শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা এবং ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি। পাশাপাশি শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি, চাকরির নিশ্চয়তা ও কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে।

কৃষি খাতে কৃষকদের সময়মতো সার, বীজ, কীটনাশক, সেচ, বিদ্যুৎ ও প্রয়োজনীয় উপকরণ সরবরাহের পাশাপাশি কালোবাজারি, মজুতদারি, কৃত্রিম সংকট ও ডিলার পর্যায়ের অনিয়ম বন্ধের দাবি জানিয়েছে দলটি। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে মজুতদারি, সিন্ডিকেট, বাজার কারসাজি ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণেরও আহ্বান জানানো হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিএসপির দাবিতে খুন, ধর্ষণ, বলাৎকার, নারী ও শিশু নির্যাতনসহ যৌন অপরাধের দ্রুত ও নিরপেক্ষ বিচার নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। অপরাধীর রাজনৈতিক বা সামাজিক পরিচয় বিবেচনায় না নিয়ে আইনের আওতায় আনা এবং মব সহিংসতা, গণপিটুনি ও আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার প্রবণতা বন্ধের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

রাজনৈতিক অধিকার প্রসঙ্গে দলটি সব বৈধ রাজনৈতিক দলের সমঅধিকার, মতপ্রকাশ, সভা-সমাবেশ ও সাংগঠনিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও রাজনীতির নামে বিরাজনীতিকরণ বন্ধ করে জনগণের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার আহ্বানও জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে ২০২৪ সালের গণআন্দোলনের ঘটনাবলি নিরপেক্ষভাবে মূল্যায়ন এবং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও চেতনাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার না করার দাবি তুলে ধরা হয়েছে।

ধর্মীয় স্বাধীনতা ও নিরাপত্তার বিষয়ে মাজার, খানকা, দরগাহসহ সব ধর্মীয় উপাসনালয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত, হামলাকারীদের বিচার, ক্ষতিগ্রস্ত ধর্মীয় স্থাপনা পুনর্নির্মাণ এবং ক্ষতিগ্রস্তদের ন্যায্য ক্ষতিপূরণ প্রদানের দাবি জানিয়েছে বিএসপি। পাশাপাশি সব মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা কার্যকরভাবে নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

রাষ্ট্রীয় অর্থব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে বৃহৎ সরকারি ব্যয় ও বৈদেশিক ঋণনির্ভর প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে জনগণের স্বার্থ, অর্থনৈতিক সক্ষমতা ও ঋণের বোঝা বিবেচনায় নেওয়ার দাবি জানিয়েছে দলটি। রাষ্ট্রের সর্বস্তরে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে।

সভায় দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম গতিশীল করার লক্ষ্যে পর্যায়ক্রমে দেশের সব উপজেলা ও জেলায় সম্মেলন আয়োজনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এ ছাড়া সর্বসম্মতিক্রমে অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলী চৌধুরী মানিককে দলের নতুন মহাসচিব নির্বাচিত করা হয়।

সভায় বিএসপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট কাজী মহসীন চৌধুরী বলেন, “জনগণের জীবন-জীবিকা ও রাজনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করতে ১৩ দফা নিয়ে মাঠে থাকবে বিএসপি।” জনগণের জীবন, অধিকার, নিরাপত্তা, মর্যাদা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দলের রাজনৈতিক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

সভায় বক্তব্য দেন নবনিযুক্ত মহাসচিব অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলী চৌধুরী মানিক, ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা রুহুল আমিন ভূঁইয়া, পীরজাদা কাজী আশিকুর রহমান হাশেমী, মোহাম্মদ মনির হোসেন, মো. সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত মহাসচিব মো. আসলাম হোসাইন, যুগ্ম মহাসচিব ও দপ্তর সম্পাদক মো. ইব্রাহিম মিয়া, যুগ্ম মহাসচিব সোহেল সামাদ বাচ্চু, ঢালি কামরুজ্জামান হারুন, মোহাম্মদ রাশেদ চৌধুরী, মো. মহরম আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম বারী, বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ মানিক, সহঅর্থ সম্পাদক মো. মোশারফ হোসেন মিয়া, প্রচার সম্পাদক চৌধুরী মোহাম্মদ হোসেন, ছাত্রকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক ফরহাদ হোসেন, আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান, মানবাধিকারবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম, সহশ্রমবিষয়ক সম্পাদক আক্তার হোসেন, প্রকাশনাবিষয়ক সম্পাদক মাহিদুল ইসলাম মাহি, মৎস্যবিষয়ক সম্পাদক জাহিদুল আলম, সহপ্রচার সম্পাদক কামরুজ্জামান কামরুল, কেন্দ্রীয় সদস্য উর্মি ইসলাম ও মরিয়ম আক্তার রোজীসহ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের নেতারা।

সভায় দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। জনগণের জীবনমান উন্নয়ন, অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দলীয় রাজনৈতিক কর্মসূচি সম্প্রসারণ এবং সাংগঠনিক কাঠামো আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন নেতারা।