মোঃ শাহজাহান বাশার
ইসলামিক ক্যালিওগ্রাফি শুধু একটি শিল্পকলা নয়; পবিত্র কোরআনের বাণীকে দৃশ্যমান সৌন্দর্যে ফুটিয়ে তোলার মাধ্যমে মহান আল্লাহর প্রতি গভীর ভালোবাসা, অনুরাগ ও আত্মিক অনুভূতির প্রকাশ ঘটানো সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন মইনীয়া ক্যালিওগ্রাফি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও মাইজভান্ডার দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন শাহসুফি ড. সাইয়্যিদ সাইফুদ্দীন আহমেদ আল হাসানী ওয়াল হোসাইনী মাইজভান্ডারী।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬) রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের নলিনীকান্ত ভট্টশালী অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ইসলামিক ক্যালিওগ্রাফি প্রদর্শনীর সমাপনী অনুষ্ঠান ও প্রদর্শনী পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন।
প্রদর্শনী ঘুরে দেখে বিভিন্ন শিল্পকর্মের প্রশংসা করে ড. সাইয়্যিদ সাইফুদ্দীন আহমেদ আল হাসানী মাইজভান্ডারী বলেন, ইসলামি শিল্প ও ক্যালিওগ্রাফি চর্চা তরুণ প্রজন্মকে দেশের সমৃদ্ধ ইতিহাস, ঐতিহ্য ও আধ্যাত্মিক সৌন্দর্যের সঙ্গে পরিচিত ও আকৃষ্ট করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এ সুকুমার শিল্পকলার বিকাশ সমাজে ভ্রাতৃত্ব, শান্তি ও নৈতিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় সহায়ক হবে।
তিনি আরও বলেন, ক্যালিওগ্রাফি চর্চার মাধ্যমে ধর্মীয় ভাবধারা ও নান্দনিকতার একটি সুন্দর সমন্বয় ঘটছে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে সৃজনশীল ও নৈতিক চর্চায় সম্পৃক্ত করতে ইসলামিক ক্যালিওগ্রাফির ভূমিকা আরও বিস্তৃত করা প্রয়োজন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মইনীয়া ক্যালিওগ্রাফি ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা ও বিশিষ্ট ক্যালিওগ্রাফার শিল্পী সাইফুল্লাহ সাফা এবং ইসলামিক কালচারাল অর্গানাইজেশনের আহ্বায়ক ও ক্যালিওগ্রাফার শিল্পী মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন।
এ ছাড়া অনুষ্ঠানে ইসলামিক কালচারাল অর্গানাইজেশন ও মইনীয়া ক্যালিওগ্রাফি ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন পর্যায়ের লেখক, গবেষক এবং তরুণ চিত্রশিল্পীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রদর্শনীর সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তারা দেশীয় ক্যালিওগ্রাফি শিল্পকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে আরও এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে এ শিল্পের সঙ্গে যুক্ত তরুণ ক্যালিওগ্রাফারদের সরকারি ও বেসরকারিভাবে সার্বিক সহযোগিতা প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানানো হয়।



















