০৩:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশ্বম্ভরপুরে তিন বাজারের নিলাম সম্পন্ন, সর্বোচ্চ ডাকদাতারা পেলেন দায়িত্ব

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৭:৪০:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬
  • ১০০৩৪ বার পঠিত হয়েছে

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি

সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় ইজারাবিহীন তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বাজারের খাস কালেকশনের জন্য প্রকাশ্য নিলাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। নিলামে ব্যাপক প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে তিন বাজারের খাস কালেকশন বাবদ সর্বোচ্চ ডাক উঠেছে মোট ৫৯ লাখ ২২ হাজার টাকা।

 

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সকিনা আক্তার ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এ প্রকাশ্য নিলাম অনুষ্ঠিত হয়। সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী ১ ভাদ্র থেকে ৩০ চৈত্র পর্যন্ত নির্ধারিত সময়ের জন্য বাজারগুলোর খাস কালেকশনের দায়িত্ব সর্বোচ্চ ডাকদাতাদের প্রদান করা হয়।

 

নিলামে?(বিশ্বম্ভরপুর বাজারে) অংশ নেন মোট ২৩ জন। প্রতিযোগিতামূলক ডাকের মাধ্যমে সর্বোচ্চ ৭ লাখ ২৫ হাজার টাকা দর হাঁকিয়ে জাহাঙ্গীর আলম খাস কালেকশনের দায়িত্ব পান।

 

(চিনাকান্দি বাজারে) নিলামে অংশ নেন ২৯ জন। সেখানে সর্বোচ্চ ৯ লাখ ৩৬ হাজার টাকা ডাক দিয়ে জাহিদ হাসান খাস কালেকশনের দায়িত্ব লাভ করেন।

 

অন্যদিকে, তিন বাজারের মধ্যে সর্বোচ্চ দর ওঠে (বাঘবেড় বাজারে)। এ বাজারের নিলামে অংশ নেন ৩৩ জন। ব্যাপক প্রতিযোগিতার পর ৩৬ লাখ ৬১ হাজার টাকা সর্বোচ্চ ডাক দিয়ে আঃ হাই খাস কালেকশনের দায়িত্ব পান।

 

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, সরকারি বিধি-বিধান ও নীতিমালা অনুসরণ করেই উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে বাজারগুলোর খাস কালেকশনের দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। নিলামে দায়িত্বপ্রাপ্ত ইজারাদারদের সরকারি নিয়ম মেনে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাজারের খাস কালেকশন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।

 

নিলামকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ দেখা যায়। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, উন্মুক্ত ও প্রতিযোগিতামূলক নিলামের মাধ্যমে বাজারগুলোর রাজস্ব আদায়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আরও নিশ্চিত হবে।

সতর্কতাঃ এই ওয়েবসাইটে নিজস্ব সংবাদের পাশাপাশি বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যম থেকে সূত্র উল্লেখপূর্বক সংবাদ প্রকাশ করা হয়। প্রকাশিত কোনো সংবাদের বিষয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে অনুগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট মূল সংবাদমাধ্যমের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এ ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও, ভিডিও ও অন্যান্য কনটেন্ট কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি ছাড়া ব্যবহার, অনুলিপি, পুনঃপ্রকাশ বা প্রচার করা কপিরাইট আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Sayeduzzaman Shad

Popular Post

কালিকাপুর পশ্চিম রেলক্রসিংয়ে ভাঙা ব্যারিয়ার, ঝুঁকিতে ঢাকা–চট্টগ্রাম রেলপথ গেটম্যান নেই, নিরাপত্তা ব্যবস্থা অকার্যকর—আরেকটি প্রাণঘাতী দুর্ঘটনার আশঙ্কা

বিশ্বম্ভরপুরে তিন বাজারের নিলাম সম্পন্ন, সর্বোচ্চ ডাকদাতারা পেলেন দায়িত্ব

Update Time : ০৭:৪০:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি

সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় ইজারাবিহীন তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বাজারের খাস কালেকশনের জন্য প্রকাশ্য নিলাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। নিলামে ব্যাপক প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে তিন বাজারের খাস কালেকশন বাবদ সর্বোচ্চ ডাক উঠেছে মোট ৫৯ লাখ ২২ হাজার টাকা।

 

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সকিনা আক্তার ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এ প্রকাশ্য নিলাম অনুষ্ঠিত হয়। সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী ১ ভাদ্র থেকে ৩০ চৈত্র পর্যন্ত নির্ধারিত সময়ের জন্য বাজারগুলোর খাস কালেকশনের দায়িত্ব সর্বোচ্চ ডাকদাতাদের প্রদান করা হয়।

 

নিলামে?(বিশ্বম্ভরপুর বাজারে) অংশ নেন মোট ২৩ জন। প্রতিযোগিতামূলক ডাকের মাধ্যমে সর্বোচ্চ ৭ লাখ ২৫ হাজার টাকা দর হাঁকিয়ে জাহাঙ্গীর আলম খাস কালেকশনের দায়িত্ব পান।

 

(চিনাকান্দি বাজারে) নিলামে অংশ নেন ২৯ জন। সেখানে সর্বোচ্চ ৯ লাখ ৩৬ হাজার টাকা ডাক দিয়ে জাহিদ হাসান খাস কালেকশনের দায়িত্ব লাভ করেন।

 

অন্যদিকে, তিন বাজারের মধ্যে সর্বোচ্চ দর ওঠে (বাঘবেড় বাজারে)। এ বাজারের নিলামে অংশ নেন ৩৩ জন। ব্যাপক প্রতিযোগিতার পর ৩৬ লাখ ৬১ হাজার টাকা সর্বোচ্চ ডাক দিয়ে আঃ হাই খাস কালেকশনের দায়িত্ব পান।

 

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, সরকারি বিধি-বিধান ও নীতিমালা অনুসরণ করেই উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে বাজারগুলোর খাস কালেকশনের দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। নিলামে দায়িত্বপ্রাপ্ত ইজারাদারদের সরকারি নিয়ম মেনে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাজারের খাস কালেকশন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।

 

নিলামকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ দেখা যায়। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, উন্মুক্ত ও প্রতিযোগিতামূলক নিলামের মাধ্যমে বাজারগুলোর রাজস্ব আদায়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আরও নিশ্চিত হবে।