০১:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নির্যাতনের অভিযোগ।

  • Reporter Name
  • Update Time : ১০:৪১:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ জুলাই ২০২৫
  • ৩০৫০ বার পঠিত হয়েছে

 

কমলনগর(লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি:
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের কমলনগর সীমান্ত এলাকায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাতের আঁধারে ঘরে ঢুকে একজনকে তুলে নিয়ে শারীরিক নির্যাতন এবং স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকা লুটের অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী মো. হানিফের পরিবার অভিযোগ করে জানায়, শনিবার (১৯ জুলাই) রাত আনুমানিক ৩টার দিকে কমলনগর উপজেলার তোরাবগঞ্জ ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের মো. আলমগীর, তার ছেলে লিটন, মো. আনোয়ার, জহির, তোবারক আলী ও তার ছেলে মাকছুদুর রহমানের নেতৃত্বে একটি সংঘবদ্ধ দল ঘরে ঢুকে হানিফ ও তার স্ত্রীকে হাত-পা বেঁধে ফেলে। এরপর মুখে কাপড় বেঁধে ঘরে থাকা প্রায় ৩ লাখ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুট করে। পরে হানিফকে তুলে নিয়ে যায় তোবারক আলীর বাড়িতে এবং সেখানে অমানবিক নির্যাতন চালানো হয়।
সকালে হানিফ অসুস্থ হয়ে পড়লে অভিযুক্তরা তাকে কমলনগর থানায় নিয়ে যান এবং সৌহার্দ্যপূর্ণভাবে পুলিশের হাতে তুলে দেন বলে জানা গেছে। এরপর থানায় দায়ের করা একটি মামলার (এফআইআর নং: ০৯/২০২৫) আওতায় হানিফকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। চিকিৎসা শেষে তাকে আদালতে হাজির করা হলে জামিনে মুক্তি পান তিনি। বর্তমানে তিনি কমলনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা পিয়ারা বেগম ও মো. রুবেল জানান, রাতে হানিফকে ঘর থেকে টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যেতে দেখেছেন তারা।
হানিফের স্ত্রী কহিনুর বেগম বলেন, “ঘরে ঢুকে আমাদের হাত-পা বেঁধে রেখে স্বর্ণ ও নগদ টাকা লুট করে আমার স্বামীকে তুলে নিয়ে যায়। আমি চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন জড়ো হয়, তবে তারা কিছু করার আগেই চলে যায়।”
এ বিষয়ে অভিযুক্ত আনোয়ার প্রথমে বিষয়টি অস্বীকার করলেও পরে হানিফকে থানায় হস্তান্তরের বিষয়টি স্বীকার করেন। অভিযুক্ত আর কারো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
কমলনগর থানার অফিসার ইনচার্জ তৌহিদুল ইসলাম বলেন, একটি নিয়মিত মামলার আসামী হিসেবে তাকে আটক করে জেল হাজতে পেরণ করি।

সতর্কতাঃ এই ওয়েবসাইটে নিজস্ব সংবাদের পাশাপাশি বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যম থেকে সূত্র উল্লেখপূর্বক সংবাদ প্রকাশ করা হয়। প্রকাশিত কোনো সংবাদের বিষয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে অনুগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট মূল সংবাদমাধ্যমের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এ ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও, ভিডিও ও অন্যান্য কনটেন্ট কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি ছাড়া ব্যবহার, অনুলিপি, পুনঃপ্রকাশ বা প্রচার করা কপিরাইট আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় পুকুর থেকে যুবকের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার

তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নির্যাতনের অভিযোগ।

Update Time : ১০:৪১:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ জুলাই ২০২৫

 

কমলনগর(লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি:
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের কমলনগর সীমান্ত এলাকায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাতের আঁধারে ঘরে ঢুকে একজনকে তুলে নিয়ে শারীরিক নির্যাতন এবং স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকা লুটের অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী মো. হানিফের পরিবার অভিযোগ করে জানায়, শনিবার (১৯ জুলাই) রাত আনুমানিক ৩টার দিকে কমলনগর উপজেলার তোরাবগঞ্জ ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের মো. আলমগীর, তার ছেলে লিটন, মো. আনোয়ার, জহির, তোবারক আলী ও তার ছেলে মাকছুদুর রহমানের নেতৃত্বে একটি সংঘবদ্ধ দল ঘরে ঢুকে হানিফ ও তার স্ত্রীকে হাত-পা বেঁধে ফেলে। এরপর মুখে কাপড় বেঁধে ঘরে থাকা প্রায় ৩ লাখ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুট করে। পরে হানিফকে তুলে নিয়ে যায় তোবারক আলীর বাড়িতে এবং সেখানে অমানবিক নির্যাতন চালানো হয়।
সকালে হানিফ অসুস্থ হয়ে পড়লে অভিযুক্তরা তাকে কমলনগর থানায় নিয়ে যান এবং সৌহার্দ্যপূর্ণভাবে পুলিশের হাতে তুলে দেন বলে জানা গেছে। এরপর থানায় দায়ের করা একটি মামলার (এফআইআর নং: ০৯/২০২৫) আওতায় হানিফকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। চিকিৎসা শেষে তাকে আদালতে হাজির করা হলে জামিনে মুক্তি পান তিনি। বর্তমানে তিনি কমলনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা পিয়ারা বেগম ও মো. রুবেল জানান, রাতে হানিফকে ঘর থেকে টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যেতে দেখেছেন তারা।
হানিফের স্ত্রী কহিনুর বেগম বলেন, “ঘরে ঢুকে আমাদের হাত-পা বেঁধে রেখে স্বর্ণ ও নগদ টাকা লুট করে আমার স্বামীকে তুলে নিয়ে যায়। আমি চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন জড়ো হয়, তবে তারা কিছু করার আগেই চলে যায়।”
এ বিষয়ে অভিযুক্ত আনোয়ার প্রথমে বিষয়টি অস্বীকার করলেও পরে হানিফকে থানায় হস্তান্তরের বিষয়টি স্বীকার করেন। অভিযুক্ত আর কারো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
কমলনগর থানার অফিসার ইনচার্জ তৌহিদুল ইসলাম বলেন, একটি নিয়মিত মামলার আসামী হিসেবে তাকে আটক করে জেল হাজতে পেরণ করি।