১১:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নয় দফা দাবীতে রংপুরে ক্যাবের মানববন্ধন

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:১৭:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৩১৬৯ বার পঠিত হয়েছে

আবুল হোসেন বাবলুঃ

জ্বালানী খাতে অনিয়ম ও দূর্ণীতির মাধ্যমে অর্থ পাচার ও এর সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তিসহ নয় দফা দাবীতে মানববন্ধন করেছে রংপুর কনজুমারস এসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ (ক্যাব)।

জ্বালানী খাতে অনিয়ম ও দূর্ণীতির মাধ্যমে অর্থ পাচার ও এর সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তিসহ নয় দফা দাবীতে সারা দেশের জেলা সমূহে মানববন্ধন করছে কনজুমারস এসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ (ক্যাব)। এরই ধারাবাহিকতায় রংপুর প্রেসক্লাবের সামনে ১৭ই ডিসেম্বর বুধবার বেলা ১২ টায় ভোক্তাদের অধিকার সংরক্ষণে ক্যাবের জেলা ও মহানগরের আয়োজনে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

দায়মুক্তি আইনের আওতায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সম্পাদিত সব বিনিয়োগ ও ক্রয় চুক্তি বাতিল এবং জ্বালানি অপরাধিদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধনে ক্যাব-এর ৯ দফা দাবি সমূহ ১. সরকার যৌথ মালিকানায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবসা-বাণিজ্যে জড়াবে না এবং সরকারি মালিকানাধীন কোনো কোম্পানি তথা জনগণের সম্পত্তির শেয়ার ব্যক্তি খাতে হস্তান্তর করবে না। ২. কস্ট প্লাস নয়, সরকার শুধু কস্ট বেসিসে মুনাফামুক্ত বিদ্যুৎ, ও জ্বালানি সেবা দেবে। ৩. বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রাথমিক জ্বালানি মিশ্রে স্বল্প মেয়াদি পরিকল্পনায় তরল জ্বালানির অনুপাত সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামিয়ে আনতে হবে। ৪. জ্বালানি অপরাধীদের বিচার করতে হবে। ৫. জ্বালানি অপরাধীদের নিকট থেকে আদায়কৃত ক্ষতিপূরণের অর্থে ‘Energy Price Stabilized Fund’ গঠিত হতে হবে। ৬. বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সুশাসন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটর কমিশন আইন ২০০৩- এর মৌলিক সংস্কার হতে হবে। ৭. নবায়নযোগ্য জ্বালানি সম্প্রসারণ এবং জ্বালানি দক্ষতা ও সংরক্ষণ উন্নয়ন নিশ্চিত হতে হবে।

বৈষম্যহীন নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিদ্যুৎখাজার বিনিয়োগকারীদের জন্য লেভেল প্লেইং ফিল্ড হতে হবে।

৯. উল্লিখিত প্রক্রিয়ায় বিগত ১৫ বছরে সমগ্র জ্বালানি সরবরাহে যে পরিমাণ অর্থ তসরুপ ও আত্মসাৎ হয়েছে, তা নির্ধারণ করা এবং যাদের কর্তৃত্বে এ-তসরুপ ও আত্মসাত ঘটেছে এবং যারা লাভবান হয়েছেন তাদের সকলের নিকট থেকে উক্ত অর্থ ও ক্ষতিপূরণ আদায় করা এবং তাদের জ্বালানি অপরাধী হিসেবে বিচারের আওতায় আনা।

এ বিষয় গুলো সামনে রেখে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, সংগঠনটির জেলা সভাপতি আব্দুর রহমান, সিনিয়র সহ-সভাপতি জসিম উদ্দিন। সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম রাজু ও মহানগর কমিটির, সহ-সভাপতি হাসান ফেরদৌস রাসেল, সাধারণ সম্পাদক জয়নুল আবেদীন মিঠু, সহ-সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ হোসেন সহ ক্যাবের নেতৃবৃন্দ। এসময় তারা দাবী করেন, বিগত সময়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানীর নামে বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনা ও এর সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির ব্যবস্থা করা। যাতে করে আর কেউ দেশের অর্থ তসরুপ করতে না পারে।

সতর্কতাঃ এই ওয়েবসাইটে নিজস্ব সংবাদের পাশাপাশি বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যম থেকে সূত্র উল্লেখপূর্বক সংবাদ প্রকাশ করা হয়। প্রকাশিত কোনো সংবাদের বিষয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে অনুগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট মূল সংবাদমাধ্যমের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এ ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও, ভিডিও ও অন্যান্য কনটেন্ট কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি ছাড়া ব্যবহার, অনুলিপি, পুনঃপ্রকাশ বা প্রচার করা কপিরাইট আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

প্রায় ৫২ কোটি টাকার মাদক ধ্বংস করল বিজিবি সীমান্তে নজরদারি জোরদারে বাড়ছে ড্রোন ও সিসিটিভির ব্যবহার

নয় দফা দাবীতে রংপুরে ক্যাবের মানববন্ধন

Update Time : ০৯:১৭:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫

আবুল হোসেন বাবলুঃ

জ্বালানী খাতে অনিয়ম ও দূর্ণীতির মাধ্যমে অর্থ পাচার ও এর সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তিসহ নয় দফা দাবীতে মানববন্ধন করেছে রংপুর কনজুমারস এসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ (ক্যাব)।

জ্বালানী খাতে অনিয়ম ও দূর্ণীতির মাধ্যমে অর্থ পাচার ও এর সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তিসহ নয় দফা দাবীতে সারা দেশের জেলা সমূহে মানববন্ধন করছে কনজুমারস এসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ (ক্যাব)। এরই ধারাবাহিকতায় রংপুর প্রেসক্লাবের সামনে ১৭ই ডিসেম্বর বুধবার বেলা ১২ টায় ভোক্তাদের অধিকার সংরক্ষণে ক্যাবের জেলা ও মহানগরের আয়োজনে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

দায়মুক্তি আইনের আওতায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সম্পাদিত সব বিনিয়োগ ও ক্রয় চুক্তি বাতিল এবং জ্বালানি অপরাধিদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধনে ক্যাব-এর ৯ দফা দাবি সমূহ ১. সরকার যৌথ মালিকানায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবসা-বাণিজ্যে জড়াবে না এবং সরকারি মালিকানাধীন কোনো কোম্পানি তথা জনগণের সম্পত্তির শেয়ার ব্যক্তি খাতে হস্তান্তর করবে না। ২. কস্ট প্লাস নয়, সরকার শুধু কস্ট বেসিসে মুনাফামুক্ত বিদ্যুৎ, ও জ্বালানি সেবা দেবে। ৩. বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রাথমিক জ্বালানি মিশ্রে স্বল্প মেয়াদি পরিকল্পনায় তরল জ্বালানির অনুপাত সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামিয়ে আনতে হবে। ৪. জ্বালানি অপরাধীদের বিচার করতে হবে। ৫. জ্বালানি অপরাধীদের নিকট থেকে আদায়কৃত ক্ষতিপূরণের অর্থে ‘Energy Price Stabilized Fund’ গঠিত হতে হবে। ৬. বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সুশাসন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটর কমিশন আইন ২০০৩- এর মৌলিক সংস্কার হতে হবে। ৭. নবায়নযোগ্য জ্বালানি সম্প্রসারণ এবং জ্বালানি দক্ষতা ও সংরক্ষণ উন্নয়ন নিশ্চিত হতে হবে।

বৈষম্যহীন নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিদ্যুৎখাজার বিনিয়োগকারীদের জন্য লেভেল প্লেইং ফিল্ড হতে হবে।

৯. উল্লিখিত প্রক্রিয়ায় বিগত ১৫ বছরে সমগ্র জ্বালানি সরবরাহে যে পরিমাণ অর্থ তসরুপ ও আত্মসাৎ হয়েছে, তা নির্ধারণ করা এবং যাদের কর্তৃত্বে এ-তসরুপ ও আত্মসাত ঘটেছে এবং যারা লাভবান হয়েছেন তাদের সকলের নিকট থেকে উক্ত অর্থ ও ক্ষতিপূরণ আদায় করা এবং তাদের জ্বালানি অপরাধী হিসেবে বিচারের আওতায় আনা।

এ বিষয় গুলো সামনে রেখে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, সংগঠনটির জেলা সভাপতি আব্দুর রহমান, সিনিয়র সহ-সভাপতি জসিম উদ্দিন। সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম রাজু ও মহানগর কমিটির, সহ-সভাপতি হাসান ফেরদৌস রাসেল, সাধারণ সম্পাদক জয়নুল আবেদীন মিঠু, সহ-সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ হোসেন সহ ক্যাবের নেতৃবৃন্দ। এসময় তারা দাবী করেন, বিগত সময়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানীর নামে বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনা ও এর সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির ব্যবস্থা করা। যাতে করে আর কেউ দেশের অর্থ তসরুপ করতে না পারে।