১১:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ধর্মীয় নেতাদের মর্যাদা নিশ্চিত করতে মাসিক ভাতা কর্মসূচির যাত্রা শুরু

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:০৩:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬
  • ৩০৪২ বার পঠিত হয়েছে

মোঃ শাহজাহান বাশার

ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি দৃঢ়করণের লক্ষ্যে বর্তমান সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে আজ দেশের সকল মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম এবং অন্যান্য ধর্মীয় নেতাদের জন্য মাসিক সম্মানী ভাতা কর্মসূচি উদ্বোধন করা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তারেক রহমান, এমপি, এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মিয়া নূরউদ্দিন আহমেদ অপু, মাননীয় হুইপ ও সংসদ সদস্য, শরীয়তপুর–৩। অনুষ্ঠানটি ঢাকার ঐতিহাসিক ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন থেকে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।

প্রধান অতিথি তারেক রহমান তার বক্তব্যে বলেন,

“মসজিদ আমাদের সমাজের মূলভিত্তি। ইমাম ও ধর্মীয় নেতাদের পেশাগত ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করা আমাদের দায়িত্ব। সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি এবং ধর্মীয় বোঝাপড়া জোরদার করার জন্য এই কর্মসূচি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।”

সূত্র জানিয়েছে, দেশের ৬৪টি জেলায় একযোগে এই মাসিক সম্মানী ভাতা কর্মসূচি বাস্তবায়িত হবে। এতে দেশের অসংখ্য ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম এবং ধর্মীয় নেতারা প্রত্যাশিত সুবিধা ভোগ করবেন।

বিশেষ অতিথি মিয়া নূরউদ্দিন আহমেদ অপু বলেন,

“সরকারের এই উদ্যোগ কেবল ধর্মীয় নেতাদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে না, বরং সমাজে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের সংস্কৃতিও গড়ে তুলবে। আমরা আশা করি, এই পদক্ষেপ দেশের ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতিকে আরও শক্তিশালী করবে।”

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন মসজিদের ইমাম এবং ধর্মীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সরকার দেশের ধর্মীয় নেতাদের মর্যাদা সংরক্ষণ এবং সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রতি তার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে সরকারের লক্ষ্য হলো ধর্মীয় নেতাদের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সমাজে সম্প্রীতি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি আরও জোরদার করা।

সতর্কতাঃ এই ওয়েবসাইটে নিজস্ব সংবাদের পাশাপাশি বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যম থেকে সূত্র উল্লেখপূর্বক সংবাদ প্রকাশ করা হয়। প্রকাশিত কোনো সংবাদের বিষয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে অনুগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট মূল সংবাদমাধ্যমের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এ ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও, ভিডিও ও অন্যান্য কনটেন্ট কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি ছাড়া ব্যবহার, অনুলিপি, পুনঃপ্রকাশ বা প্রচার করা কপিরাইট আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

প্রায় ৫২ কোটি টাকার মাদক ধ্বংস করল বিজিবি সীমান্তে নজরদারি জোরদারে বাড়ছে ড্রোন ও সিসিটিভির ব্যবহার

ধর্মীয় নেতাদের মর্যাদা নিশ্চিত করতে মাসিক ভাতা কর্মসূচির যাত্রা শুরু

Update Time : ০১:০৩:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

মোঃ শাহজাহান বাশার

ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি দৃঢ়করণের লক্ষ্যে বর্তমান সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে আজ দেশের সকল মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম এবং অন্যান্য ধর্মীয় নেতাদের জন্য মাসিক সম্মানী ভাতা কর্মসূচি উদ্বোধন করা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তারেক রহমান, এমপি, এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মিয়া নূরউদ্দিন আহমেদ অপু, মাননীয় হুইপ ও সংসদ সদস্য, শরীয়তপুর–৩। অনুষ্ঠানটি ঢাকার ঐতিহাসিক ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন থেকে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।

প্রধান অতিথি তারেক রহমান তার বক্তব্যে বলেন,

“মসজিদ আমাদের সমাজের মূলভিত্তি। ইমাম ও ধর্মীয় নেতাদের পেশাগত ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করা আমাদের দায়িত্ব। সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি এবং ধর্মীয় বোঝাপড়া জোরদার করার জন্য এই কর্মসূচি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।”

সূত্র জানিয়েছে, দেশের ৬৪টি জেলায় একযোগে এই মাসিক সম্মানী ভাতা কর্মসূচি বাস্তবায়িত হবে। এতে দেশের অসংখ্য ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম এবং ধর্মীয় নেতারা প্রত্যাশিত সুবিধা ভোগ করবেন।

বিশেষ অতিথি মিয়া নূরউদ্দিন আহমেদ অপু বলেন,

“সরকারের এই উদ্যোগ কেবল ধর্মীয় নেতাদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে না, বরং সমাজে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের সংস্কৃতিও গড়ে তুলবে। আমরা আশা করি, এই পদক্ষেপ দেশের ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতিকে আরও শক্তিশালী করবে।”

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন মসজিদের ইমাম এবং ধর্মীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সরকার দেশের ধর্মীয় নেতাদের মর্যাদা সংরক্ষণ এবং সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রতি তার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে সরকারের লক্ষ্য হলো ধর্মীয় নেতাদের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সমাজে সম্প্রীতি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি আরও জোরদার করা।