১২:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কালিয়াকৈরে ৪.৫ লক্ষ সদস্যকে নতুন করে প্রশিক্ষণ-যুদ্ধ-দুর্যোগে প্রস্তুত আনসার বাহিনী

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৭:৪৬:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬
  • ১০০৩৯ বার পঠিত হয়েছে

ঝ 

শাকিল হোসেন,কালিয়াকৈর(গাজীপুর)প্রতিনিধিঃ

বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সস্কার ও রূপান্তরের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) গাজীপুরের সফিপুরে আনসার-ভিডিপি একাডেমিতে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আব্দুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ গত দুই বছরের বিভিন্ন সংস্কার ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম তুলে ধরেন।

তিনি বলেন,২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে জনগণের প্রত্যাশা ও চাহিদাকে গুরুত্ব দিয়ে বাহিনীকে আরও আধুনিক, দক্ষ, স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও জনবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে এসব সংস্কার কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।মহাপরিচালক বলেন,বাহিনীর প্রায় ৬০ লক্ষ সদস্যের অস্তিত্ব এখন সুনির্দিষ্ট ও ডাটাবেজভুক্ত। গ্রাম, ওয়ার্ড, ইউনিয়ন ও প্লাটুন পর্যায়ের সদস্যদের তথ্যকে একটি সমন্বিত ব্যবস্থাপনার আওতায় আনা হয়েছে।তিনি বলেন, প্রান্তিক পর্যায় থেকে শুরু করে বাহিনীর সব সদস্যকে ডাটাবেজভুক্ত করার মাধ্যমে মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনায় এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অর্জন করেছে। বাহিনীর ডিজিটাল রূপান্তর এখন দৃশ্যমান উল্লেখ করে DG বলেন,নিরাপত্তা দায়িত্বে সদস্য মোতায়েন। সদস্যদের তথ্য সংরক্ষণ,বেতন-ভাতা ব্যবস্থাপনা এবং দাপ্তরিক কার্যক্রমে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হয়েছে। আনসার-ভিডিপি জব পোর্টালের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে ষাট লক্ষ সদস্যকে নিয়ে বিদ্যমান ERP-কে AI সমন্বিত LLMচালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যেখানে বিশাল স্বেচ্ছাসেবকদের রক্তের প্রয়োজনীয় তথ্যসহ সর্ববৃহৎ ব্লাড ব্যাংক সার্ভিস থাকবে। পাশাপাশি বাহিনীর তৃণমূল পর্যায়ে মিটরিং সিস্টেম ও ডাটা সার্ভিস ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।প্রশিক্ষণ ব্যবস্থার সংস্কারকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে মহাপরিচালক বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সাড়ে চার লক্ষাধিক নতুন তরুণ সদস্যকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এ প্রশিক্ষণ শুধু নির্বাচন বা উৎসবকেন্দ্রিক দায়িত্ব পালনের জন্য নয়; যুদ্ধকালীন বা যেকোনো জরুরি পরিস্থিতেও প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবী জনবলের বহুমুখী কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে। গত দুই বছরে প্রশিক্ষণের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য,ধরন ও সিলেবাসে পরিবর্তন আনা হয়েছে এবং দায়িত্ব পালনকারী সদস্যদের পেশাগত সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সতেজকরণ প্রশিক্ষণও জোরদার করা হয়েছে।বাহিনীর নিরাপত্তা দায়িত্ব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অঙ্গীভূত আনসার সদস্যদের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব দেশের গুরুত্বপূর্ণ ও KPI স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। গত দুই বছরে অঙ্গীভূত আনসার সদস্যদের সেবার মানসিকতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য যথাযথ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাপনা জোরদার করা হয়েছে।একইসাথে দীর্ঘদিনের দুর্দশা হিসেবে চাকুরির ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য রেষ্টপ্রথা বাতিলের প্রয়োজনীয় সংস্কার সম্পন্ন হচ্ছে। দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সদস্যদের বেতন, রেশন ও অন্যান্য প্রাপ্যতা যথাসময়ে নিশ্চিত করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে চাকুরী সমাপ্তিতে অঙ্গীভূত আনসার সদস্যদের অবসর গমনকালীন গ্র্যাচুয়িটি ফান্ড প্রাপ্তির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

মহাপরিচালক বলেন,ব্যাটালিয়ন আনসার সদস্যরা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীসহ অন্যান্য বাহিনীর সঙ্গে প্রশিক্ষণ সমন্বয় করে দুর্যোগ ও যুদ্ধকালীন ভূমিকা পালনে পেশাগত উৎকর্ষতা বৃদ্ধির প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।

একই সঙ্গে ভিডিপি ও টিডিপি সদস্যরা তৃণমূল পর্যায়ে আর্থসামাজিক উন্নয়নের ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে। পরিবেশ দূষণ প্রতিরোধ, বৃক্ষরোপণ, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, অগ্নিনির্বাপণ, কৃষিকাজে সহায়তা, স্বেচ্ছাশ্রম এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা সৃষ্টির মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

তিনি আরও বলেন, প্রান্তিক পর্যায়ের ভিডিপি ক্লাবগুলোকে সজ্ঞীবন কর্মসূচির আওতায় পুনরুজ্জীবিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সংস্কারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হিসেবে নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতার কথা উল্লেখ করে DG বলেন,বর্তমানে কঠিন ও প্রতিযোগিতামূলক ধাপ অতিক্রম করেই যোগ্য মেধাবী প্রার্থীরা চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হচ্ছেন। নিয়োগে কোনো অবৈধ আচরণ, দুর্নীতি বা দালালির প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

মহাপরিচালক বলেন, বাহিনীর প্রশিক্ষণ অবকাঠামো উন্নয়নে একাডেমিতে বহুমুখী নতুন কাঠামো তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। উপজেলা পর্যায়ের সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালী করা, সদর দপ্তরের ওয়েলফেয়ার শাখাকে আরও সমৃদ্ধ করা এবং মাঠপর্যায়ে সদস্যদের কল্যাণ ও ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমকে কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

উক্ত মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বাহিনীর অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মামুনূর রশীদ, আনসার-ভিডিপি একাডেমির কমান্ড্যান্ট (ভারপ্রাপ্ত) উপমহাপরিচালক মোঃ সাইফুল্লাহ্ রাসেল সহ অন্যান্য কর্মকর্তা, কর্মচারী, সদস্য-সদস্যাবৃন্দ।

সংস্কার ও রূপান্তরের ২ বছরে আনসার-ভিডিপি নতুন সক্ষমতা অর্জন করেছে। ৬০ লক্ষ সদস্য ডাটাবেজভুক্ত, আসছে AI ব্লাড ব্যাংক, রেষ্টপ্রথা বাতিল, ৪.৫ লক্ষ সদস্যকে নতুন প্রশিক্ষণ। নিয়োগে স্বচ্ছতা ও তদবির বন্ধের ঘোষণা দিয়েছেন DG।

সতর্কতাঃ এই ওয়েবসাইটে নিজস্ব সংবাদের পাশাপাশি বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যম থেকে সূত্র উল্লেখপূর্বক সংবাদ প্রকাশ করা হয়। প্রকাশিত কোনো সংবাদের বিষয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে অনুগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট মূল সংবাদমাধ্যমের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এ ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও, ভিডিও ও অন্যান্য কনটেন্ট কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি ছাড়া ব্যবহার, অনুলিপি, পুনঃপ্রকাশ বা প্রচার করা কপিরাইট আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Sayeduzzaman Shad

Popular Post

কালিকাপুর পশ্চিম রেলক্রসিংয়ে ভাঙা ব্যারিয়ার, ঝুঁকিতে ঢাকা–চট্টগ্রাম রেলপথ গেটম্যান নেই, নিরাপত্তা ব্যবস্থা অকার্যকর—আরেকটি প্রাণঘাতী দুর্ঘটনার আশঙ্কা

কালিয়াকৈরে ৪.৫ লক্ষ সদস্যকে নতুন করে প্রশিক্ষণ-যুদ্ধ-দুর্যোগে প্রস্তুত আনসার বাহিনী

Update Time : ০৭:৪৬:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬

ঝ 

শাকিল হোসেন,কালিয়াকৈর(গাজীপুর)প্রতিনিধিঃ

বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সস্কার ও রূপান্তরের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) গাজীপুরের সফিপুরে আনসার-ভিডিপি একাডেমিতে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আব্দুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ গত দুই বছরের বিভিন্ন সংস্কার ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম তুলে ধরেন।

তিনি বলেন,২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে জনগণের প্রত্যাশা ও চাহিদাকে গুরুত্ব দিয়ে বাহিনীকে আরও আধুনিক, দক্ষ, স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও জনবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে এসব সংস্কার কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।মহাপরিচালক বলেন,বাহিনীর প্রায় ৬০ লক্ষ সদস্যের অস্তিত্ব এখন সুনির্দিষ্ট ও ডাটাবেজভুক্ত। গ্রাম, ওয়ার্ড, ইউনিয়ন ও প্লাটুন পর্যায়ের সদস্যদের তথ্যকে একটি সমন্বিত ব্যবস্থাপনার আওতায় আনা হয়েছে।তিনি বলেন, প্রান্তিক পর্যায় থেকে শুরু করে বাহিনীর সব সদস্যকে ডাটাবেজভুক্ত করার মাধ্যমে মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনায় এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অর্জন করেছে। বাহিনীর ডিজিটাল রূপান্তর এখন দৃশ্যমান উল্লেখ করে DG বলেন,নিরাপত্তা দায়িত্বে সদস্য মোতায়েন। সদস্যদের তথ্য সংরক্ষণ,বেতন-ভাতা ব্যবস্থাপনা এবং দাপ্তরিক কার্যক্রমে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হয়েছে। আনসার-ভিডিপি জব পোর্টালের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে ষাট লক্ষ সদস্যকে নিয়ে বিদ্যমান ERP-কে AI সমন্বিত LLMচালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যেখানে বিশাল স্বেচ্ছাসেবকদের রক্তের প্রয়োজনীয় তথ্যসহ সর্ববৃহৎ ব্লাড ব্যাংক সার্ভিস থাকবে। পাশাপাশি বাহিনীর তৃণমূল পর্যায়ে মিটরিং সিস্টেম ও ডাটা সার্ভিস ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।প্রশিক্ষণ ব্যবস্থার সংস্কারকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে মহাপরিচালক বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সাড়ে চার লক্ষাধিক নতুন তরুণ সদস্যকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এ প্রশিক্ষণ শুধু নির্বাচন বা উৎসবকেন্দ্রিক দায়িত্ব পালনের জন্য নয়; যুদ্ধকালীন বা যেকোনো জরুরি পরিস্থিতেও প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবী জনবলের বহুমুখী কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে। গত দুই বছরে প্রশিক্ষণের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য,ধরন ও সিলেবাসে পরিবর্তন আনা হয়েছে এবং দায়িত্ব পালনকারী সদস্যদের পেশাগত সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সতেজকরণ প্রশিক্ষণও জোরদার করা হয়েছে।বাহিনীর নিরাপত্তা দায়িত্ব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অঙ্গীভূত আনসার সদস্যদের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব দেশের গুরুত্বপূর্ণ ও KPI স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। গত দুই বছরে অঙ্গীভূত আনসার সদস্যদের সেবার মানসিকতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য যথাযথ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাপনা জোরদার করা হয়েছে।একইসাথে দীর্ঘদিনের দুর্দশা হিসেবে চাকুরির ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য রেষ্টপ্রথা বাতিলের প্রয়োজনীয় সংস্কার সম্পন্ন হচ্ছে। দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সদস্যদের বেতন, রেশন ও অন্যান্য প্রাপ্যতা যথাসময়ে নিশ্চিত করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে চাকুরী সমাপ্তিতে অঙ্গীভূত আনসার সদস্যদের অবসর গমনকালীন গ্র্যাচুয়িটি ফান্ড প্রাপ্তির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

মহাপরিচালক বলেন,ব্যাটালিয়ন আনসার সদস্যরা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীসহ অন্যান্য বাহিনীর সঙ্গে প্রশিক্ষণ সমন্বয় করে দুর্যোগ ও যুদ্ধকালীন ভূমিকা পালনে পেশাগত উৎকর্ষতা বৃদ্ধির প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।

একই সঙ্গে ভিডিপি ও টিডিপি সদস্যরা তৃণমূল পর্যায়ে আর্থসামাজিক উন্নয়নের ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে। পরিবেশ দূষণ প্রতিরোধ, বৃক্ষরোপণ, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, অগ্নিনির্বাপণ, কৃষিকাজে সহায়তা, স্বেচ্ছাশ্রম এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা সৃষ্টির মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

তিনি আরও বলেন, প্রান্তিক পর্যায়ের ভিডিপি ক্লাবগুলোকে সজ্ঞীবন কর্মসূচির আওতায় পুনরুজ্জীবিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সংস্কারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হিসেবে নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতার কথা উল্লেখ করে DG বলেন,বর্তমানে কঠিন ও প্রতিযোগিতামূলক ধাপ অতিক্রম করেই যোগ্য মেধাবী প্রার্থীরা চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হচ্ছেন। নিয়োগে কোনো অবৈধ আচরণ, দুর্নীতি বা দালালির প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

মহাপরিচালক বলেন, বাহিনীর প্রশিক্ষণ অবকাঠামো উন্নয়নে একাডেমিতে বহুমুখী নতুন কাঠামো তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। উপজেলা পর্যায়ের সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালী করা, সদর দপ্তরের ওয়েলফেয়ার শাখাকে আরও সমৃদ্ধ করা এবং মাঠপর্যায়ে সদস্যদের কল্যাণ ও ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমকে কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

উক্ত মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বাহিনীর অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মামুনূর রশীদ, আনসার-ভিডিপি একাডেমির কমান্ড্যান্ট (ভারপ্রাপ্ত) উপমহাপরিচালক মোঃ সাইফুল্লাহ্ রাসেল সহ অন্যান্য কর্মকর্তা, কর্মচারী, সদস্য-সদস্যাবৃন্দ।

সংস্কার ও রূপান্তরের ২ বছরে আনসার-ভিডিপি নতুন সক্ষমতা অর্জন করেছে। ৬০ লক্ষ সদস্য ডাটাবেজভুক্ত, আসছে AI ব্লাড ব্যাংক, রেষ্টপ্রথা বাতিল, ৪.৫ লক্ষ সদস্যকে নতুন প্রশিক্ষণ। নিয়োগে স্বচ্ছতা ও তদবির বন্ধের ঘোষণা দিয়েছেন DG।