০৪:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাওলানা ভাসানী সেতু চালু হওয়ায় চিলমারীবাসী এখন থেকে ঢাকায় পৌঁছাবে কম দূরত্বে ও কম খরচে।

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:২৪:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ আগস্ট ২০২৫
  • ১০১৭৮ বার পঠিত হয়েছে

মাও. রিয়াজুল ইসলাম রুহী, প্রতিনিধিঃ ঢাকার গাবতলী থেকে রংপুর–কুড়িগ্রাম হয়ে চিলমারীর দূরত্ব ৩৬৮ কিলোমিটার। অন্যদিকে গাবতলী থেকে পলাশবাড়ী–গাইবান্ধা হয়ে চিলমারীর দূরত্ব মাত্র ২৯০ কিলোমিটার। অর্থাৎ চিলমারী হরিপুর সেতু চালু হওয়ায় এই নতুন রুটে যাতায়াত করলে প্রায় ৮০ কিলোমিটার পথ কমবে।

ভাড়ার হিসাবে প্রতি কিলোমিটারে ২.১২ টাকা ধরে হিসাব করলে, যাত্রীদের জন্য প্রায় ১৭০ টাকা পর্যন্ত খরচ কমবে। ফলে চিলমারীবাসী এখন থেকে ঢাকায় পৌঁছাতে পারবেন কম দূরত্বে, কম সময়ে এবং কম খরচে।

এখন শুধু চিলমারী–গাইবান্ধা–পলাশবাড়ী হয়ে ঢাকামুখী সরাসরি বাস সার্ভিস চালুর অপেক্ষায় রয়েছে চিলমারীবাসী।

সতর্কতাঃ এই ওয়েবসাইটে নিজস্ব সংবাদের পাশাপাশি বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যম থেকে সূত্র উল্লেখপূর্বক সংবাদ প্রকাশ করা হয়। প্রকাশিত কোনো সংবাদের বিষয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে অনুগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট মূল সংবাদমাধ্যমের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এ ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও, ভিডিও ও অন্যান্য কনটেন্ট কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি ছাড়া ব্যবহার, অনুলিপি, পুনঃপ্রকাশ বা প্রচার করা কপিরাইট আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

হারানোর বেদনা থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর শিক্ষা-আইনজীবী হাবিবুল হক

মাওলানা ভাসানী সেতু চালু হওয়ায় চিলমারীবাসী এখন থেকে ঢাকায় পৌঁছাবে কম দূরত্বে ও কম খরচে।

Update Time : ১১:২৪:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ আগস্ট ২০২৫

মাও. রিয়াজুল ইসলাম রুহী, প্রতিনিধিঃ ঢাকার গাবতলী থেকে রংপুর–কুড়িগ্রাম হয়ে চিলমারীর দূরত্ব ৩৬৮ কিলোমিটার। অন্যদিকে গাবতলী থেকে পলাশবাড়ী–গাইবান্ধা হয়ে চিলমারীর দূরত্ব মাত্র ২৯০ কিলোমিটার। অর্থাৎ চিলমারী হরিপুর সেতু চালু হওয়ায় এই নতুন রুটে যাতায়াত করলে প্রায় ৮০ কিলোমিটার পথ কমবে।

ভাড়ার হিসাবে প্রতি কিলোমিটারে ২.১২ টাকা ধরে হিসাব করলে, যাত্রীদের জন্য প্রায় ১৭০ টাকা পর্যন্ত খরচ কমবে। ফলে চিলমারীবাসী এখন থেকে ঢাকায় পৌঁছাতে পারবেন কম দূরত্বে, কম সময়ে এবং কম খরচে।

এখন শুধু চিলমারী–গাইবান্ধা–পলাশবাড়ী হয়ে ঢাকামুখী সরাসরি বাস সার্ভিস চালুর অপেক্ষায় রয়েছে চিলমারীবাসী।