০৫:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চালু হলো ‘মওলানা ভাসানী সেতু

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৬:৪৭:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ আগস্ট ২০২৫
  • ৩০৮২ বার পঠিত হয়েছে

ফাতেমা আক্তার লিজা

সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার

চালু হলো ‘মওলানা ভাসানী সেতু’
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার পাঁচপীর বাজার-কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার সংযোগ সড়কের তিস্তা নদীর ওপর নির্মিত ‘মওলানা ভাসানী সেতু’ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২০ আগস্ট) দুপুরে অন্তর্বর্তী সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া প্রধান অতিথি হিসেবে সেতুটির ফলক উন্মোচন করে উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
এদিকে, এই সেতুটি উদ্বোধনকে ঘিরে নদীর উভয় পাড়ে জনসমুদ্র পরিণত হয়। ফলক উন্মোচনের সাথে সাথে উচ্ছ্বসিত হাজারও মানুষ। তিস্তা পাড়ে যেনো বাঁধ ভাঙা আনন্দের ঢেউ বইছে। মুখে হাসি ফুটেছে ভোগান্তির শিকার মানুষদের।
প্রসঙ্গত: গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে তিস্তা নদীর ওপর ১৪৯০ মিটার দীর্ঘ ‘মওলানা ভাসানী সেতু’ উদ্বোধনের পর সুন্দরগঞ্জ উপজেলার পাঁচপীর বাজারের সঙ্গে কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলা সদরের সড়ক যোগাযোগ তৈরি হলো। সেতুটির মাধ্যমে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সঙ্গে চিলমারী উপজেলার যোগাযোগ সহজ হবে। স্বল্প সময় ও স্বল্প খরচে শিল্প ও কৃষিজাত পণ্য পরিবহণ করা যাবে। ছোট ও মাঝারি কলকারখানা প্রতিষ্ঠার সুযোগ সৃষ্টি হবে। এ অঞ্চলের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন ও প্রসার ঘটবে। এলাকায় দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। স্থানীয় আর্থ-সামাজিক অবস্থা উন্নয়নসহ জাতীয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখবে। পর্যটনের সুযোগ সৃষ্টি হবে। গাইবান্ধার সঙ্গে কুড়িগ্রাম জেলার যোগাযোগের দূরত্ব ৪০-৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত কমবে। এছাড়া ঢাকার সঙ্গে চিলমারীর দূরত্ব কমবে প্রায় ১৩৫ কিলোমিটার।
এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সরকার (জিওবি), সৌদি ফান্ড ফর ডেভেলপমেন্ট (এসএফডি) এবং ওপেক ফান্ড ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্টের (ওফিড) অর্থায়নে সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছে। এতে মোট ব্যয় হয়েছে ৯২৫ কোটি টাকা। ১ হাজার ৪৯০ মিটার দৈর্ঘ্য। ৯.৬০ মিটার প্রস্থ। সেতুটির লেন সংখ্যা ২টি। মোট স্প্যান সংখ্যা ৩১টি। এটি একটি প্রি-স্ট্রেসড কংক্রিট গার্ডার সেতু।

সতর্কতাঃ এই ওয়েবসাইটে নিজস্ব সংবাদের পাশাপাশি বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যম থেকে সূত্র উল্লেখপূর্বক সংবাদ প্রকাশ করা হয়। প্রকাশিত কোনো সংবাদের বিষয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে অনুগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট মূল সংবাদমাধ্যমের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এ ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও, ভিডিও ও অন্যান্য কনটেন্ট কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি ছাড়া ব্যবহার, অনুলিপি, পুনঃপ্রকাশ বা প্রচার করা কপিরাইট আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় পুকুর থেকে যুবকের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার

চালু হলো ‘মওলানা ভাসানী সেতু

Update Time : ০৬:৪৭:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ আগস্ট ২০২৫

ফাতেমা আক্তার লিজা

সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার

চালু হলো ‘মওলানা ভাসানী সেতু’
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার পাঁচপীর বাজার-কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার সংযোগ সড়কের তিস্তা নদীর ওপর নির্মিত ‘মওলানা ভাসানী সেতু’ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২০ আগস্ট) দুপুরে অন্তর্বর্তী সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া প্রধান অতিথি হিসেবে সেতুটির ফলক উন্মোচন করে উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
এদিকে, এই সেতুটি উদ্বোধনকে ঘিরে নদীর উভয় পাড়ে জনসমুদ্র পরিণত হয়। ফলক উন্মোচনের সাথে সাথে উচ্ছ্বসিত হাজারও মানুষ। তিস্তা পাড়ে যেনো বাঁধ ভাঙা আনন্দের ঢেউ বইছে। মুখে হাসি ফুটেছে ভোগান্তির শিকার মানুষদের।
প্রসঙ্গত: গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে তিস্তা নদীর ওপর ১৪৯০ মিটার দীর্ঘ ‘মওলানা ভাসানী সেতু’ উদ্বোধনের পর সুন্দরগঞ্জ উপজেলার পাঁচপীর বাজারের সঙ্গে কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলা সদরের সড়ক যোগাযোগ তৈরি হলো। সেতুটির মাধ্যমে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সঙ্গে চিলমারী উপজেলার যোগাযোগ সহজ হবে। স্বল্প সময় ও স্বল্প খরচে শিল্প ও কৃষিজাত পণ্য পরিবহণ করা যাবে। ছোট ও মাঝারি কলকারখানা প্রতিষ্ঠার সুযোগ সৃষ্টি হবে। এ অঞ্চলের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন ও প্রসার ঘটবে। এলাকায় দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। স্থানীয় আর্থ-সামাজিক অবস্থা উন্নয়নসহ জাতীয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখবে। পর্যটনের সুযোগ সৃষ্টি হবে। গাইবান্ধার সঙ্গে কুড়িগ্রাম জেলার যোগাযোগের দূরত্ব ৪০-৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত কমবে। এছাড়া ঢাকার সঙ্গে চিলমারীর দূরত্ব কমবে প্রায় ১৩৫ কিলোমিটার।
এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সরকার (জিওবি), সৌদি ফান্ড ফর ডেভেলপমেন্ট (এসএফডি) এবং ওপেক ফান্ড ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্টের (ওফিড) অর্থায়নে সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছে। এতে মোট ব্যয় হয়েছে ৯২৫ কোটি টাকা। ১ হাজার ৪৯০ মিটার দৈর্ঘ্য। ৯.৬০ মিটার প্রস্থ। সেতুটির লেন সংখ্যা ২টি। মোট স্প্যান সংখ্যা ৩১টি। এটি একটি প্রি-স্ট্রেসড কংক্রিট গার্ডার সেতু।