০৭:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বুড়িচংয়ে মেধাবী ছাত্র তুহিনকে কুপিয়ে হত্যা: ওসির নিষ্ক্রিয়তায় ক্ষোভ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৪:৪৭:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫
  • ৩০৫৫ বার পঠিত হয়েছে

মোঃ শাহজাহান বাশার

বুড়িচং এরশাদ ডিগ্রী কলেজের মেধাবী ছাত্র তুহিনকে সন্ত্রাসীরা অপহরণের পর নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। টানা পাঁচ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে অবশেষে আজ সোমবার (২৭ অক্টোবর) সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় তুহিন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ২৩ অক্টোবর বৃহস্পতিবার বিকেলে কলেজ থেকে ফেরার পথে তুহিনকে একটি সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী চক্র অপহরণ করে। পরে পরিকল্পিতভাবে তাকে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়। এ ঘটনার পরপরই তুহিনের মা স্থানীয় থানায় মামলা দায়ের করেন।

কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার পাঁচ দিন পার হলেও বুড়িচং থানার ওসি এখনো পর্যন্ত কোনো আসামীকে গ্রেপ্তার করতে পারেননি। এতে এলাকাজুড়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। নিহত তুহিনের পরিবারের দাবি, আসামীদের সঙ্গে থানার কিছু কর্মকর্তার গোপন যোগসাজশ থাকতে পারে। তারা দ্রুত ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও আসামীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।

স্থানীয় সচেতন মহল ও শিক্ষার্থীরা প্রশ্ন তুলেছেন—“ওসি সাহেব পাঁচ দিনেও কেন আসামীদের ধরতে পারলেন না?”
তাদের দাবি, পুলিশের এই নিষ্ক্রিয়তা ন্যায়বিচার প্রাপ্তিতে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তুহিন হত্যার ঘটনায় এলাকাজুড়ে শোক ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিবাদ জানিয়ে লিখছেন, “সন্ত্রাসীদের সাথে আপোষ নয়, আমরা তুহিন হত্যার সুষ্ঠু বিচার চাই।”

অন্যদিকে, ওসি সাহেবের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। তাঁরা জানিয়েছেন, “পুলিশ যদি অপরাধীদের সঙ্গে আপোষ করে, তাহলে আমরা বিষয়টি গণমাধ্যমে তুলে ধরব।”

স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ সদর দপ্তরের কাছে এলাকাবাসীর দাবি—বুড়িচং কলেজের ছাত্র তুহিন হত্যাকাণ্ডের দ্রুত তদন্ত, জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা।

সতর্কতাঃ এই ওয়েবসাইটে নিজস্ব সংবাদের পাশাপাশি বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যম থেকে সূত্র উল্লেখপূর্বক সংবাদ প্রকাশ করা হয়। প্রকাশিত কোনো সংবাদের বিষয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে অনুগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট মূল সংবাদমাধ্যমের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এ ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও, ভিডিও ও অন্যান্য কনটেন্ট কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি ছাড়া ব্যবহার, অনুলিপি, পুনঃপ্রকাশ বা প্রচার করা কপিরাইট আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় পুকুর থেকে যুবকের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার

বুড়িচংয়ে মেধাবী ছাত্র তুহিনকে কুপিয়ে হত্যা: ওসির নিষ্ক্রিয়তায় ক্ষোভ

Update Time : ০৪:৪৭:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫

মোঃ শাহজাহান বাশার

বুড়িচং এরশাদ ডিগ্রী কলেজের মেধাবী ছাত্র তুহিনকে সন্ত্রাসীরা অপহরণের পর নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। টানা পাঁচ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে অবশেষে আজ সোমবার (২৭ অক্টোবর) সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় তুহিন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ২৩ অক্টোবর বৃহস্পতিবার বিকেলে কলেজ থেকে ফেরার পথে তুহিনকে একটি সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী চক্র অপহরণ করে। পরে পরিকল্পিতভাবে তাকে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়। এ ঘটনার পরপরই তুহিনের মা স্থানীয় থানায় মামলা দায়ের করেন।

কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার পাঁচ দিন পার হলেও বুড়িচং থানার ওসি এখনো পর্যন্ত কোনো আসামীকে গ্রেপ্তার করতে পারেননি। এতে এলাকাজুড়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। নিহত তুহিনের পরিবারের দাবি, আসামীদের সঙ্গে থানার কিছু কর্মকর্তার গোপন যোগসাজশ থাকতে পারে। তারা দ্রুত ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও আসামীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।

স্থানীয় সচেতন মহল ও শিক্ষার্থীরা প্রশ্ন তুলেছেন—“ওসি সাহেব পাঁচ দিনেও কেন আসামীদের ধরতে পারলেন না?”
তাদের দাবি, পুলিশের এই নিষ্ক্রিয়তা ন্যায়বিচার প্রাপ্তিতে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তুহিন হত্যার ঘটনায় এলাকাজুড়ে শোক ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিবাদ জানিয়ে লিখছেন, “সন্ত্রাসীদের সাথে আপোষ নয়, আমরা তুহিন হত্যার সুষ্ঠু বিচার চাই।”

অন্যদিকে, ওসি সাহেবের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। তাঁরা জানিয়েছেন, “পুলিশ যদি অপরাধীদের সঙ্গে আপোষ করে, তাহলে আমরা বিষয়টি গণমাধ্যমে তুলে ধরব।”

স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ সদর দপ্তরের কাছে এলাকাবাসীর দাবি—বুড়িচং কলেজের ছাত্র তুহিন হত্যাকাণ্ডের দ্রুত তদন্ত, জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা।