১২:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঈদগাঁওতে দীর্ঘবছর পর নাসী খালের উপর  ব্রীজ, খুশিতে উৎফুল্ল এলাকাবাসী 

  • Reporter Name
  • Update Time : ১০:৪৩:৪০ পূর্বাহ্ন, রোববার, ১৯ অক্টোবর ২০২৫
  • ৩০৪৯ বার পঠিত হয়েছে

এম আবু হেনা সাগর, ঈদগাঁও

কক্সবাজারের ঈদগাঁওয়ের নাসী খালের উপর দীর্ঘবছর পর ব্রীজ নির্মান হওয়ায় খুশিতে উৎফুল্ল হয়ে হন এলাকাবাসী।

শনিবার ব্রীজের কাজ পরিদর্শনে তিন ভাগেরও বেশি কাজ সম্পন্ন হওয়ার দৃশ্য চোখে পড়ে। এলজিইডির বাস্তবায়নে ব্রীজের কাজ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে।

জানা যায়, পারাপারে একটি ব্রীজের অভাবে  দীর্ঘবছর ধরে নাসী খালের উপর দিয়ে  ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের নির্মিত তক্তায় ভর করে দৈনিক শত শত লোকজন নানান কাজকর্মে আসা যাওয়া করেছিল নারী পুরুষরা। পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা শিক্ষাঙ্গনে যাতায়াত করছিল বহু কষ্টের বিনিময়ে। ব্রীজ দিয়ে ঈদগাঁও ইউনিয়নের বৃহত্তর মাইজ পাড়ার লোকজন ছাড়াও ভিন্ন এলাকার লোকজনও চলাফেরা করে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। একসময় যানবাহন নিয়ে পারাপার তো দূরের কথা, একা পায়ে হেটে যাওয়াও কষ্টসাধ্য ছিল।

সূত্র মতে, দীর্ঘকাল পূর্বে এ খালের উপর একটি ছোট্র ব্রীজ ছিল, তখনকার সময়ে সেটি বর্ষা মৌসুমে ঢলের পানির তোড়ে ভেঙ্গে যায়। এরপর থেকে এলাকাবাসীর একান্ত সহযোগিতায় কাঠের সাকোঁর মত তক্তার ব্রীজ দিয়ে চলাচল করেছিল। দীর্ঘবছর পর হলেও গ্রামীন জনপদে গুরুত্বপূর্ণ সড়কে পরিপূর্ণ একটি ব্রীজ হওয়ায় খুশিতে উৎফুল্ল এলাকার লোকজন। সাথে চরম  দুর্ভোগ আর দুর্গতি থেকেও মুক্তি পেলো পথচারীরা।

স্থানীয় সচেতন যুবক মিজানুর রহমান জানান, ব্রীজ হওয়ায় খুশি এলাকার মানুষরা। বহুবছর তত্ত্বার উপর দিয়ে চলাচল করেছিল এলাকাবাসী। এবার দীর্ঘদিনের স্বপ্নের সে ব্রীজের উপর দিয়ে যান ও জন চলাচল সহজ তর হবে।

ব্রীজের কাজে দায়িত্বরত এক ব্যাক্তি জানান, প্রায় কাজ সম্পন্নের পথে। দুই পাশে মাটি ভরাট সহ কিছু কাজ বাকী রয়েছে মাত্র।

স্থানীয় মেম্বার জানান, গ্রামীণ জনপদের এ ব্রীজটি দীর্ঘকাল পর সাড়ে তিনকোটি টাকা ব্যয়ে এলজিইডি বাস্তবায়ন করছে। বর্তমানেও কাজ চলমান।

সতর্কতাঃ এই ওয়েবসাইটে নিজস্ব সংবাদের পাশাপাশি বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যম থেকে সূত্র উল্লেখপূর্বক সংবাদ প্রকাশ করা হয়। প্রকাশিত কোনো সংবাদের বিষয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে অনুগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট মূল সংবাদমাধ্যমের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এ ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও, ভিডিও ও অন্যান্য কনটেন্ট কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি ছাড়া ব্যবহার, অনুলিপি, পুনঃপ্রকাশ বা প্রচার করা কপিরাইট আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় পুকুর থেকে যুবকের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার

ঈদগাঁওতে দীর্ঘবছর পর নাসী খালের উপর  ব্রীজ, খুশিতে উৎফুল্ল এলাকাবাসী 

Update Time : ১০:৪৩:৪০ পূর্বাহ্ন, রোববার, ১৯ অক্টোবর ২০২৫

এম আবু হেনা সাগর, ঈদগাঁও

কক্সবাজারের ঈদগাঁওয়ের নাসী খালের উপর দীর্ঘবছর পর ব্রীজ নির্মান হওয়ায় খুশিতে উৎফুল্ল হয়ে হন এলাকাবাসী।

শনিবার ব্রীজের কাজ পরিদর্শনে তিন ভাগেরও বেশি কাজ সম্পন্ন হওয়ার দৃশ্য চোখে পড়ে। এলজিইডির বাস্তবায়নে ব্রীজের কাজ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে।

জানা যায়, পারাপারে একটি ব্রীজের অভাবে  দীর্ঘবছর ধরে নাসী খালের উপর দিয়ে  ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের নির্মিত তক্তায় ভর করে দৈনিক শত শত লোকজন নানান কাজকর্মে আসা যাওয়া করেছিল নারী পুরুষরা। পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা শিক্ষাঙ্গনে যাতায়াত করছিল বহু কষ্টের বিনিময়ে। ব্রীজ দিয়ে ঈদগাঁও ইউনিয়নের বৃহত্তর মাইজ পাড়ার লোকজন ছাড়াও ভিন্ন এলাকার লোকজনও চলাফেরা করে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। একসময় যানবাহন নিয়ে পারাপার তো দূরের কথা, একা পায়ে হেটে যাওয়াও কষ্টসাধ্য ছিল।

সূত্র মতে, দীর্ঘকাল পূর্বে এ খালের উপর একটি ছোট্র ব্রীজ ছিল, তখনকার সময়ে সেটি বর্ষা মৌসুমে ঢলের পানির তোড়ে ভেঙ্গে যায়। এরপর থেকে এলাকাবাসীর একান্ত সহযোগিতায় কাঠের সাকোঁর মত তক্তার ব্রীজ দিয়ে চলাচল করেছিল। দীর্ঘবছর পর হলেও গ্রামীন জনপদে গুরুত্বপূর্ণ সড়কে পরিপূর্ণ একটি ব্রীজ হওয়ায় খুশিতে উৎফুল্ল এলাকার লোকজন। সাথে চরম  দুর্ভোগ আর দুর্গতি থেকেও মুক্তি পেলো পথচারীরা।

স্থানীয় সচেতন যুবক মিজানুর রহমান জানান, ব্রীজ হওয়ায় খুশি এলাকার মানুষরা। বহুবছর তত্ত্বার উপর দিয়ে চলাচল করেছিল এলাকাবাসী। এবার দীর্ঘদিনের স্বপ্নের সে ব্রীজের উপর দিয়ে যান ও জন চলাচল সহজ তর হবে।

ব্রীজের কাজে দায়িত্বরত এক ব্যাক্তি জানান, প্রায় কাজ সম্পন্নের পথে। দুই পাশে মাটি ভরাট সহ কিছু কাজ বাকী রয়েছে মাত্র।

স্থানীয় মেম্বার জানান, গ্রামীণ জনপদের এ ব্রীজটি দীর্ঘকাল পর সাড়ে তিনকোটি টাকা ব্যয়ে এলজিইডি বাস্তবায়ন করছে। বর্তমানেও কাজ চলমান।