০৩:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পঞ্চগড়ে সাংবাদিকদের “সন্ত্রাসী” বলা সেই ম্যাজিস্ট্রেট এখনো বহাল তবিয়তে

  • Reporter Name
  • Update Time : ১০:৫৬:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৩০৪৮ বার পঠিত হয়েছে

সাইয়্যেদ শান্ত-পঞ্চগড় প্রতিনিধি:
পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় করতোয়া নদীর আউলিয়ার ঘাটে মহালয়ার সংবাদ সংগ্রহ করতে যাওয়া সাংবাদিকদের “সন্ত্রাসী” আখ্যা দেন জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. তাহমিদুর রহমান। তাঁর এই মন্তব্য ও সাংবাদিকদের তুচ্ছ তাচ্ছিল্যের পরও তিনি বহাল তবিয়তে থাকায় বিষয়টি নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে সাংবাদিকদের পেশাগত কাজে বাঁধা দান ও তাঁর আগ্রাসী মনোভাব অপেশাদার আচরণ। একজন প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী কিভাবে সাংবাদিকদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করতে পারেন।
এদিকে, ঘটনার ২৪ ঘন্টা পার হয়ে গেলেও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোন তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়নি। এমনকি কোন তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থাও নেয়া হয়নি। সাংবাদিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে ওই ম্যাজিস্ট্রেটের খুঁটির জোর কোথায়। কি কারণে নেয়া হচ্ছে না কোন ব্যবস্থা।
জেলা প্রশাসক সাবেত আলী বলেন, এই ঘটনায় কোন তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়নি।
তাঁর বিরুদ্ধে কোন বিভাগীয় কোন ব্যবস্থা নেয়া হবে কিনা এমন প্রশ্নে কোন মন্তব্য করেন নি জেলা প্রশাসক।
এদিকে, গত রবিবার রাতে নিজের ফেসবুক আইডিতে সাংবাদিকদের নিয়ে আবারো আপত্তিকর লেখা পোস্ট করেন জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. তাহমিদুর রহমান।
ঢাকা পোস্টের জেলা প্রতিনিধি নূর হাসান বলেন, “আমরা মহালয়ার সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে দায়িত্বটা তো ম্যাজিস্ট্রেট আমাদের মোটরসাইকেল নিয়ে যেতে বাঁধা প্রদান করেন। ঘাটে একবারে ফাঁকা ছিল এবং অন্যান্য ব্যক্তিদেরও যেতে দেখা যায় মোটরসাইকেল নিয়ে নৌকা পারাপার হতে। ইউএনও নিজেও নৌকায় করে মোটরসাইকেল নিয়ে ঘাট পারাপার হচ্ছিলেন। তাহলে সাংবাদিকদের যেতে বাধা কেন?
বাংলাভিশন টেলিভিশনের সাংবাদিক মোশারফ হোসেন বলেন, সাংবাদিকদের সন্ত্রাসী বলা জেলা প্রশাসনের সেই ম্যাজিস্ট্রেটের বিরুদ্ধে প্রশাসন কোন ব্যবস্থা নেয়নি। তিনি এখন সাংবাদিকদের নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আপত্তিকর আরো পোস্ট করছেন। কোন কিছুরই বিচার হচ্ছে না। তাহলে সেই ম্যাজিস্ট্রেটের খুঁটির জোর কোথায়। কি কারণে তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। প্রশাসন যদি কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করে তাহলে আমরা কর্মসূচী দিতে বাধ্য হবো

সতর্কতাঃ এই ওয়েবসাইটে নিজস্ব সংবাদের পাশাপাশি বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যম থেকে সূত্র উল্লেখপূর্বক সংবাদ প্রকাশ করা হয়। প্রকাশিত কোনো সংবাদের বিষয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে অনুগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট মূল সংবাদমাধ্যমের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এ ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও, ভিডিও ও অন্যান্য কনটেন্ট কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি ছাড়া ব্যবহার, অনুলিপি, পুনঃপ্রকাশ বা প্রচার করা কপিরাইট আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় পুকুর থেকে যুবকের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার

পঞ্চগড়ে সাংবাদিকদের “সন্ত্রাসী” বলা সেই ম্যাজিস্ট্রেট এখনো বহাল তবিয়তে

Update Time : ১০:৫৬:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

সাইয়্যেদ শান্ত-পঞ্চগড় প্রতিনিধি:
পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় করতোয়া নদীর আউলিয়ার ঘাটে মহালয়ার সংবাদ সংগ্রহ করতে যাওয়া সাংবাদিকদের “সন্ত্রাসী” আখ্যা দেন জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. তাহমিদুর রহমান। তাঁর এই মন্তব্য ও সাংবাদিকদের তুচ্ছ তাচ্ছিল্যের পরও তিনি বহাল তবিয়তে থাকায় বিষয়টি নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে সাংবাদিকদের পেশাগত কাজে বাঁধা দান ও তাঁর আগ্রাসী মনোভাব অপেশাদার আচরণ। একজন প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী কিভাবে সাংবাদিকদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করতে পারেন।
এদিকে, ঘটনার ২৪ ঘন্টা পার হয়ে গেলেও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোন তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়নি। এমনকি কোন তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থাও নেয়া হয়নি। সাংবাদিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে ওই ম্যাজিস্ট্রেটের খুঁটির জোর কোথায়। কি কারণে নেয়া হচ্ছে না কোন ব্যবস্থা।
জেলা প্রশাসক সাবেত আলী বলেন, এই ঘটনায় কোন তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়নি।
তাঁর বিরুদ্ধে কোন বিভাগীয় কোন ব্যবস্থা নেয়া হবে কিনা এমন প্রশ্নে কোন মন্তব্য করেন নি জেলা প্রশাসক।
এদিকে, গত রবিবার রাতে নিজের ফেসবুক আইডিতে সাংবাদিকদের নিয়ে আবারো আপত্তিকর লেখা পোস্ট করেন জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. তাহমিদুর রহমান।
ঢাকা পোস্টের জেলা প্রতিনিধি নূর হাসান বলেন, “আমরা মহালয়ার সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে দায়িত্বটা তো ম্যাজিস্ট্রেট আমাদের মোটরসাইকেল নিয়ে যেতে বাঁধা প্রদান করেন। ঘাটে একবারে ফাঁকা ছিল এবং অন্যান্য ব্যক্তিদেরও যেতে দেখা যায় মোটরসাইকেল নিয়ে নৌকা পারাপার হতে। ইউএনও নিজেও নৌকায় করে মোটরসাইকেল নিয়ে ঘাট পারাপার হচ্ছিলেন। তাহলে সাংবাদিকদের যেতে বাধা কেন?
বাংলাভিশন টেলিভিশনের সাংবাদিক মোশারফ হোসেন বলেন, সাংবাদিকদের সন্ত্রাসী বলা জেলা প্রশাসনের সেই ম্যাজিস্ট্রেটের বিরুদ্ধে প্রশাসন কোন ব্যবস্থা নেয়নি। তিনি এখন সাংবাদিকদের নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আপত্তিকর আরো পোস্ট করছেন। কোন কিছুরই বিচার হচ্ছে না। তাহলে সেই ম্যাজিস্ট্রেটের খুঁটির জোর কোথায়। কি কারণে তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। প্রশাসন যদি কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করে তাহলে আমরা কর্মসূচী দিতে বাধ্য হবো