০৩:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বেলকুচিতে ছয় বন্ধুর উদ্যোগে যাত্রা শুরু করল ‘”সিরাজগঞ্জ ঘি মহল’”

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:৪০:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৩০৪২ বার পঠিত হয়েছে

আশিকুল ইসলাম, বেলকুচি (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি:

সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলায় বিশুদ্ধ ও ভেজালমুক্ত ঘি সরবরাহের অঙ্গীকার নিয়ে যাত্রা শুরু করল নতুন প্রতিষ্ঠান ‘সিরাজগঞ্জ ঘি মহল’। শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে ভাঙাবাড়ী ইউনিয়নের তামাই রয়না পাড়ায় দোয়া মাহফিল, ফিতা কাটা ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে এই প্রতিষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী, সুধীজন, সাংবাদিক, শিক্ষক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। শুরুতে কোরআন তেলাওয়াত ও দোয়ার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের সফলতা, এলাকার উন্নয়ন ও সকলের মঙ্গল কামনা করা হয়।

উদ্যোক্তারা জানান, ছয় বন্ধু মিলে তাদের এই নতুন উদ্যোগ। তারা বলেন—
“আমরা ভোক্তাদের কাছে বিশুদ্ধ, খাঁটি ও ভেজালমুক্ত ঘি পৌঁছে দেওয়ার জন্যই এই উদ্যোগ নিয়েছি। আধুনিক উপায়ে প্রক্রিয়াজাত করে এখানে উৎপাদিত ঘি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে শুধু গ্রাহকের আস্থা অর্জনই নয়, স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।”

বক্তারা বলেন, ভেজালমুক্ত খাদ্যপণ্য সরবরাহে এ ধরণের উদ্যোগ প্রশংসনীয়। খাঁটি ঘি রান্নার স্বাদ বাড়ানোর পাশাপাশি স্বাস্থ্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই ‘সিরাজগঞ্জ ঘি মহল’-এর মতো উদ্যোগ পুরো অঞ্চলের মানুষের জন্য আস্থার প্রতীক হয়ে উঠবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন—মোঃ ওমর ফারুক, জাহিদ হাসান, আবু রায়হান, মোঃ নাহিদ খান, ইউসুফ আলী, মোনতাছের মাহি, মাসুদ রানা, সুকান্ত রায়সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

অতিথিরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে নিম্নমানের ও ভেজাল ঘির কারণে ভোক্তারা হতাশ ছিলেন। স্থানীয় পর্যায়ে খাঁটি ঘি উৎপাদনের এ উদ্যোগ থেকে সাধারণ মানুষ উপকৃত হবেন এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।

আলোচনা শেষে অতিথিদের মাঝে ঘি ও মিষ্টান্ন পরিবেশন করা হয়। পুরো এলাকায় উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়ে।

সতর্কতাঃ এই ওয়েবসাইটে নিজস্ব সংবাদের পাশাপাশি বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যম থেকে সূত্র উল্লেখপূর্বক সংবাদ প্রকাশ করা হয়। প্রকাশিত কোনো সংবাদের বিষয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে অনুগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট মূল সংবাদমাধ্যমের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এ ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও, ভিডিও ও অন্যান্য কনটেন্ট কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি ছাড়া ব্যবহার, অনুলিপি, পুনঃপ্রকাশ বা প্রচার করা কপিরাইট আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় পুকুর থেকে যুবকের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার

বেলকুচিতে ছয় বন্ধুর উদ্যোগে যাত্রা শুরু করল ‘”সিরাজগঞ্জ ঘি মহল’”

Update Time : ০৯:৪০:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

আশিকুল ইসলাম, বেলকুচি (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি:

সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলায় বিশুদ্ধ ও ভেজালমুক্ত ঘি সরবরাহের অঙ্গীকার নিয়ে যাত্রা শুরু করল নতুন প্রতিষ্ঠান ‘সিরাজগঞ্জ ঘি মহল’। শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে ভাঙাবাড়ী ইউনিয়নের তামাই রয়না পাড়ায় দোয়া মাহফিল, ফিতা কাটা ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে এই প্রতিষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী, সুধীজন, সাংবাদিক, শিক্ষক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। শুরুতে কোরআন তেলাওয়াত ও দোয়ার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের সফলতা, এলাকার উন্নয়ন ও সকলের মঙ্গল কামনা করা হয়।

উদ্যোক্তারা জানান, ছয় বন্ধু মিলে তাদের এই নতুন উদ্যোগ। তারা বলেন—
“আমরা ভোক্তাদের কাছে বিশুদ্ধ, খাঁটি ও ভেজালমুক্ত ঘি পৌঁছে দেওয়ার জন্যই এই উদ্যোগ নিয়েছি। আধুনিক উপায়ে প্রক্রিয়াজাত করে এখানে উৎপাদিত ঘি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে শুধু গ্রাহকের আস্থা অর্জনই নয়, স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।”

বক্তারা বলেন, ভেজালমুক্ত খাদ্যপণ্য সরবরাহে এ ধরণের উদ্যোগ প্রশংসনীয়। খাঁটি ঘি রান্নার স্বাদ বাড়ানোর পাশাপাশি স্বাস্থ্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই ‘সিরাজগঞ্জ ঘি মহল’-এর মতো উদ্যোগ পুরো অঞ্চলের মানুষের জন্য আস্থার প্রতীক হয়ে উঠবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন—মোঃ ওমর ফারুক, জাহিদ হাসান, আবু রায়হান, মোঃ নাহিদ খান, ইউসুফ আলী, মোনতাছের মাহি, মাসুদ রানা, সুকান্ত রায়সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

অতিথিরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে নিম্নমানের ও ভেজাল ঘির কারণে ভোক্তারা হতাশ ছিলেন। স্থানীয় পর্যায়ে খাঁটি ঘি উৎপাদনের এ উদ্যোগ থেকে সাধারণ মানুষ উপকৃত হবেন এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।

আলোচনা শেষে অতিথিদের মাঝে ঘি ও মিষ্টান্ন পরিবেশন করা হয়। পুরো এলাকায় উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়ে।