০৪:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস পালন উপলক্ষে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ উপজেলা শাখার উদ্যোগে বিশাল গণ-মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবসে ভূরুঙ্গামারীতে ইসলামী আন্দোলনের গণ-মিছিল ও সমাবেশ

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে 'জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস' উপলক্ষে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ব্যানারে আয়োজিত গণ-মিছিলে অংশ নেওয়া নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ উপজেলা শাখার উদ্যোগে গণ-মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (৫ আগস্ট) বাদ আসর ভূরুঙ্গামারী পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ থেকে একটি গণ-মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে ইসলামী ব্যাংকের সামনে এসে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।

গণ-মিছিলে নেতৃত্ব দেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, ভূরুঙ্গামারী উপজেলা শাখার সভাপতি মুফতি ওমর ফারুক ফারুকী। সমাবেশে বক্তব্য দেন উপজেলা শাখার সেক্রেটারি মুফতি এস. এম. মনিরুজ্জামান এবং সহকারী সেক্রেটারি এইচ. এম. নূরুন্নবী হুসাইন।

বক্তারা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে তাদের আত্মত্যাগের যথাযথ মূল্যায়ন, গণহত্যার দ্রুত বিচার, প্রয়োজনীয় রাষ্ট্রীয় সংস্কার বাস্তবায়ন এবং জনগণের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানান। একই সঙ্গে তারা দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সমাবেশে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ভূরুঙ্গামারী উপজেলা শাখার দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ, সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী, কর্মী-সমর্থক এবং বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ অংশ নেন।

মিছিল চলাকালে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। এর মধ্যে ছিল— “নারায়ে তাকবির, আল্লাহু আকবার”, “মুক্তির মূলমন্ত্র, ইসলামী শাসনতন্ত্র”, “ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জিন্দাবাদ”, “জুলাই শহীদদের রক্ত বৃথা যেতে দেব না”, “গণহত্যার বিচার দ্রুত করতে হবে”, “প্রয়োজনীয় সংস্কার করতে হবে”, “ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই হবে একসাথে” এবং “ইনকিলাব, জিন্দাবাদ”।

সতর্কতাঃ এই ওয়েবসাইটে নিজস্ব সংবাদের পাশাপাশি বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যম থেকে সূত্র উল্লেখপূর্বক সংবাদ প্রকাশ করা হয়। প্রকাশিত কোনো সংবাদের বিষয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে অনুগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট মূল সংবাদমাধ্যমের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এ ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও, ভিডিও ও অন্যান্য কনটেন্ট কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি ছাড়া ব্যবহার, অনুলিপি, পুনঃপ্রকাশ বা প্রচার করা কপিরাইট আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবসে ভূরুঙ্গামারীতে ইসলামী আন্দোলনের গণ-মিছিল ও সমাবেশ

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস পালন উপলক্ষে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ উপজেলা শাখার উদ্যোগে বিশাল গণ-মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবসে ভূরুঙ্গামারীতে ইসলামী আন্দোলনের গণ-মিছিল ও সমাবেশ

Update Time : ০১:৪৮:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট ২০২৬

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ উপজেলা শাখার উদ্যোগে গণ-মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (৫ আগস্ট) বাদ আসর ভূরুঙ্গামারী পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ থেকে একটি গণ-মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে ইসলামী ব্যাংকের সামনে এসে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।

গণ-মিছিলে নেতৃত্ব দেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, ভূরুঙ্গামারী উপজেলা শাখার সভাপতি মুফতি ওমর ফারুক ফারুকী। সমাবেশে বক্তব্য দেন উপজেলা শাখার সেক্রেটারি মুফতি এস. এম. মনিরুজ্জামান এবং সহকারী সেক্রেটারি এইচ. এম. নূরুন্নবী হুসাইন।

বক্তারা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে তাদের আত্মত্যাগের যথাযথ মূল্যায়ন, গণহত্যার দ্রুত বিচার, প্রয়োজনীয় রাষ্ট্রীয় সংস্কার বাস্তবায়ন এবং জনগণের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানান। একই সঙ্গে তারা দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সমাবেশে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ভূরুঙ্গামারী উপজেলা শাখার দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ, সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী, কর্মী-সমর্থক এবং বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ অংশ নেন।

মিছিল চলাকালে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। এর মধ্যে ছিল— “নারায়ে তাকবির, আল্লাহু আকবার”, “মুক্তির মূলমন্ত্র, ইসলামী শাসনতন্ত্র”, “ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জিন্দাবাদ”, “জুলাই শহীদদের রক্ত বৃথা যেতে দেব না”, “গণহত্যার বিচার দ্রুত করতে হবে”, “প্রয়োজনীয় সংস্কার করতে হবে”, “ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই হবে একসাথে” এবং “ইনকিলাব, জিন্দাবাদ”।