
প্রথমার্ধে দুই দলই রক্ষণাত্মক ফুটবল খেললেও বিরতির পর আক্রমণের ধার বাড়ায় ইংল্যান্ড। সেই চাপের ফল আসে ৫৫তম মিনিটে। অ্যান্টনি গর্ডন সুযোগ কাজে লাগিয়ে বল জালে পাঠালে উল্লাসে ফেটে পড়ে ইংলিশ শিবির।
গোল হজমের পরও বলের দখলে এগিয়ে রয়েছে আর্জেন্টিনা। বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা ৫৮ শতাংশ সময় বল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছে, যেখানে ইংল্যান্ডের দখল ৪২ শতাংশ। তবে বলের নিয়ন্ত্রণকে এখন পর্যন্ত কার্যকর আক্রমণে রূপ দিতে পারেনি স্কালোনির দল।
পরিসংখ্যানেও দেখা যাচ্ছে, আর্জেন্টিনা ৪টি শট নিলেও লক্ষ্যে রাখতে পেরেছে মাত্র ১টি। অন্যদিকে ইংল্যান্ড ৩টি শটের মধ্যে ২টিই লক্ষ্যে রেখেছে এবং তার একটি থেকেই এসেছে গুরুত্বপূর্ণ গোল।
পাসিংয়েও এগিয়ে রয়েছে আর্জেন্টিনা। তারা ৩০৪টি পাস সম্পন্ন করেছে, ইংল্যান্ড করেছে ২৫৫টি। দুই দলের পাস সফলতার হারও প্রায় সমান—আর্জেন্টিনার ৯২ শতাংশ এবং ইংল্যান্ডের ৯১ শতাংশ।
ম্যাচে শারীরিক লড়াইও বেড়েছে। আর্জেন্টিনা এখন পর্যন্ত ১৩টি ফাউল করেছে এবং দুটি হলুদ কার্ড দেখেছে। ইংল্যান্ড করেছে ৮টি ফাউল, তাদের একটি হলুদ কার্ড রয়েছে। কর্নারের সংখ্যায়ও সামান্য এগিয়ে আর্জেন্টিনা (২-১)।
লাইভ জয়ের সম্ভাবনার হিসাবে এখন ইংল্যান্ডের অবস্থান অনেকটাই শক্তিশালী। নির্ধারিত ৯০ মিনিটে ইংল্যান্ডের জয়ের সম্ভাবনা ৬৮ শতাংশ, অতিরিক্ত সময়ে ম্যাচ গড়ানোর সম্ভাবনা ২৪ শতাংশ এবং আর্জেন্টিনার জয়ের সম্ভাবনা নেমে এসেছে মাত্র ৮ শতাংশে।
সরাসরি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।